প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে আদালত আরও দুই সন্দেহভাজন সাবেক সেনাসদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। আদালতের সাথে, মামলার প্রধান দুই সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারি করার নির্দেশও দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) কুমিল্লার পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম এই বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
নতুন করে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ পাওয়া দুই সন্দেহভাজন হলেন সিরাজগঞ্জ জেলার মেঘাই গ্রামের সোলায়মান হোসেনের ছেলে সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম এবং কুমিল্লা নগরীর রাজাপাড়া লক্ষীনগর এলাকার এম এ হান্নানের ছেলে ফয়সাল আহমেদ রাব্বী।
তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গত শুক্রবার (১৭ জুলাই) কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম প্রথম আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক তদন্তের স্বার্থে এই দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের আবেদন মঞ্জুর করেছেন।
তিনি বলেছেন, ‘আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের ডিএনএ সংগ্রহ করে মামলার আলামতের সঙ্গে ফরেনসিকভাবে মিলিয়ে দেখা হবে।’
মো. তারিকুল ইসলাম আরও জানান, এর আগে মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে ক্রস-ম্যাচ করা হয়েছে।
তদন্তের অগ্রগতির অংশ হিসেবে এবার আরও দুই সন্দেহভাজনের ডিএনএ সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
এদিকে, মামলার প্রধান সন্দেহভাজন অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান ও সাবেক সেনাসদস্য শাহিন আলমের বিরুদ্ধে ইন্টারপোলে রেড নোটিশ জারির নির্দেশ আদালত দিয়েছেন। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, শাহিন আলম কুয়েতে পালিয়ে গেছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। অন্যদিকে, জাহিদুজ্জামানের বর্তমান অবস্থান এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া একমাত্র আসামি হাফিজুর রহমান বর্তমানে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন শিক্ষার্থী সোহাগী জাহান তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসসংলগ্ন একটি ঝোপ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ এক দশক পেরিয়ে গেলেও বহুল আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনও উদ্ঘাটিত হয়নি। মামলাটির তদন্ত বর্তমানে পিবিআই পরিচালনা করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন