প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাবেক মহাপরিচালক লে. জেনারেল (অব.) মো. মজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুটি মামলা করার অনুমোদন দিয়েছে। এক মামলায় শুধুমাত্র মজিবুর রহমানকে আসামি করা হবে, অন্য মামলায় তার স্ত্রী তাসরীন মুজিবকেও আসামি করা হবে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদক জানায়, অনুসন্ধানের ফলে মজিবুর রহমানের নামে ২ কোটি ৭১ লাখ ৬ হাজার ২৫২ টাকার মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ এবং তার স্ত্রীর নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ১৯৩ টাকার মূল্যের জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে।
দুদকের ভাষ্য অনুযায়ী, মজিবুর রহমান সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম, ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছেন। অনুসন্ধানের ফলে এসব তথ্য প্রকাশ পায়।
দুদক আরও জানায়, এসব সম্পত্তির মালিকানা অসাধু উপায়ে অর্জন করে তিনি তা দখলে রেখেছেন। এ কারণে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
অন্য মামলায় মজিবুর রহমানের স্ত্রী তাসরীন মুজিবকেও আসামি করা হবে। অনুসন্ধানে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৯ হাজার ১৯৩ টাকার মূল্যের সম্পদের তথ্য পাওয়া গেছে, যা তার জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলে জানিয়েছে দুদক।
দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্বামীর সহায়তায় অসাধু উপায়ে এসব সম্পদের মালিকানা অর্জন করে তাসরীন মুজিব তা ভোগদখলে রেখেছেন।
এই ঘটনায় মজিবুর রহমান ও তাসরীন মুজিবের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন