প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের পুনঃখনন ও সার্বিক উন্নয়নকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সকালে তিনি লেকে গিয়ে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
উন্নয়নকাজের জন্য প্রায় ৮৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ধানমন্ডি লেকের সংস্কার, পুনঃখনন, সৌন্দর্যবর্ধন ও নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের আওতায় লেকের জলাশয় পুনঃখননের পাশাপাশি পরিবেশ উন্নয়ন, সৌন্দর্যবর্ধন এবং নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধির কার্যক্রম বাস্তবায়িত হবে।
উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে লেক এলাকায় নতুন করে একটি নজরুল মঞ্চ নির্মাণ করা হবে। সেখানে একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি স্থাপনের উদ্যোগও রয়েছে। এর মাধ্যমে সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের জন্য নতুন পরিসর তৈরির পাশাপাশি ধানমন্ডি লেককে আরও জনবান্ধব করে গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ধানমন্ডি ও গুলশান লেকের সংস্কার ও উন্নয়নকাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছিলেন। ওই বৈঠকে ধানমন্ডি লেক পুনর্নির্মাণ, নজরুল সরোবর নির্মাণ এবং ঢাকার পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা আধুনিকায়নে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট স্থাপনের বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধানমন্ডি লেককে শুধুমাত্র বিনোদনকেন্দ্র নয়, বরং একটি প্রকৃতিনির্ভর ও শান্তিপূর্ণ জনপরিসর হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম পূর্বে জানিয়েছিলেন, লেকে কোনো ধরনের বাণিজ্যিক নিয়ন্ত্রণ বা অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরণ হতে দেওয়া হবে না। লেকের পানির মান, পরিবেশ ও স্বাভাবিক সৌন্দর্য রক্ষায়ও গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এদিকে, ধানমন্ডি এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা নিরসনে ৩৫০ কোটি টাকার একটি পৃথক প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগের কথাও জানিয়েছেন সেতুমন্ত্রী। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, লেক পুনঃখনন ও উন্নয়নকাজের পাশাপাশি জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে ধানমন্ডি এলাকার পানি নিষ্কাশনব্যবস্থায়ও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন