প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পুনরায় আলোচনা শুরুর বিষয়টি নাকচ করে দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, ‘ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারক’ লঙ্ঘন বন্ধ এবং ক্ষতিপূরণ না দিলে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা শুরু হবে না।
রবিবার(৯ আগস্ট) তেহরানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, মধ্যস্থতাকারীরা এখনও আলোচনা পুনরায় শুরুর উপায় খোঁজার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র যতক্ষণ না সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘন বন্ধ করছে এবং লঙ্ঘনের জন্য ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে, ততক্ষণ আলোচনা পুনরায় শুরুর কোনো সম্ভাবনা ইরান দেখছে না।
ওমানের সঙ্গে ইরানের আলোচনার বিষয়ে আব্বাস আরাগচি বলেন, ওমানের সঙ্গে আলোচনাটি হরমুজ প্রণালীতে একটি নতুন সামুদ্রিক পথ নির্ধারণের বিষয়ে। তিনি জানান, আমরা এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছি এবং পুরনো পথগুলোর পরিবর্তে নতুন পথ চালু করা হবে। বিশেষজ্ঞরা এই পথগুলো নিয়ে কাজ করছেন।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, নতুন সামুদ্রিক পথ নিয়ে ওমানের সঙ্গে কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর অর্থ এই নয়, হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তিনি বলেন, অবশ্যই, এর অর্থ হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া নয়। হয়তো এই চুক্তিটি সম্পন্ন হবে, কিন্তু হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার বিষয়টি বেশ কিছু শর্তের ওপর নির্ভরশীল।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বলেছিলেন, তেহরান বর্তমানে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনো আলোচনা করছে না। তিনি জানান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ নৌ-চলাচলে ওমানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলেছে। বাকায়ি জানান, নিরাপদ সামুদ্রিক চলাচলের জন্য একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তুলতে উভয় পক্ষ কাজ করছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, উপকূলবর্তী রাষ্ট্র হিসেবে বিষয়টি ইরান ও ওমানের সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট।
এদিকে পৃথক এক মন্তব্যে আইআরজিসির মুখপাত্র জেনারেল হোসেইন মোহেব্বি বলেছেন, কৌশলগত এই জলপথটি পুনরায়ী খুলে দেওয়ার বিষয়টি ইরান-ওমান আলোচনার সঙ্গে “সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র” এবং এটি ইরানের শর্তাবলী যুক্তরাষ্ট্রের মেনে নেওয়ার ওপর নির্ভর করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন