বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৫:৫৬ পি.এম
রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণাকে কেন্দ্র করে ঢাকার মিরপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এ সম্পর্কে বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে বিজিবি সদর দপ্তর থেকে পাঠানো একটি খুদে বার্তায় জানানো হয়েছে।
মৌলিক তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর-১০ নম্বরের আদর্শ স্কুল মাঠে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচনী প্রচারের শুরু হয়েছে। শনিবার বিকাল থেকে সেখানে জনসভা অনুষ্ঠিত হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকালে আদর্শ স্কুল মাঠে জনসভাকে ঘিরে দলীয় নেতাকর্মীরা সমবেত হতে শুরু করেছেন। সেখানে মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে এবং পুরো মাঠজুড়ে বেশ কিছু চেয়ার বসানো হয়েছে। বিকাল ৫টার পর দলটির আমির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বক্তব্য শুরু করেন।
তার আগে দুপুরের পর থেকে দাড়িপাল্লা প্রতীকের ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে নেতাকর্মীরা একটি মিছিল সহকারে মাঠে প্রবেশ করেন। মাঠের chairs পূর্ণ হয়ে গেলে অনেক নেতাকর্মী আশপাশের সড়কেও অবস্থান নেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
মালেশিয়ার অভিনেত্রী নাদিয়া কেসুমা ওমরাহ পালন করতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। সম্প্রতি তিনি যখন ওমরাহ পালন করার উদ্দেশ্যে জেদ্দা কিং আব্দুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান, তখন থেকেই নিখোঁজ ছিলেন। নিখোঁজ হওয়ার পরদিন সকাল ৮টায় তিনি মারা যান, তার বয়স ছিল ৪৯ বছর।
অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী, ড. মুহাম্মদ কামারুল কাবিলান আবদullah। এ ছাড়া, তার বন্ধু ও অভিনেত্রী নরিনীর মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
নাদিয়ার মেয়ে সামাজিক মাধ্যমে জানান, তার মা ১৫ জানুয়ারি সকাল ৮টা ৫ মিনিটে মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি সকলের কাছে তার মায়ের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া প্রার্থনা করেছেন।
নাদিয়া ‘শয়তান মুনাফিক’ এবং ‘কুদেতা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে দর্শকদের মনে স্থান করে নিয়েছিলেন। তিনি ১৪ থেকে ২৮ জানুয়ারি সময়ের মধ্যে ওমরাহ পালনের জন্য মালয়েশিয়া থেকে জেদ্দাতে এসেছিলেন।
নাদিয়া কেসুমার আসল নাম হলো নাদিয়াহ কাসুমাওয়াতি আব্দুল করিম। গত ১৪ জানুয়ারি, একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে, তিনি ওমরাহ হজযাত্রীর দলের সঙ্গে সৌদি আরবে পৌঁছান। তার মেয়ের দেওয়া তথ্যমতে, জেদ্দা বিমানবন্দরে পৌঁছানোর দিনই তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন এবং দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-১৯ আসনে বিএনপির ধানের শীষের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হলো।
বিএনপি ক্ষমতায় এলে মাদক, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের কথা জানিয়েছেন বিএনপির সহ-পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে সাভারের শহীদ মজনু একাডেমিতে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সেখানে তিনি এ বক্তব্য তুলে ধরেন।
দোয়া শেষে বিএনপি নেতাকর্মীরা পায়ে হেঁটে ধানের শীষের পক্ষে ভোট চেয়ে লিফলেট বিতরণ করেন এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করেন।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা জেলা বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক লায়ন মোঃ খোরশেদ আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী এবং অন্যান্য জেলা ও স্থানীয় নেতাকর্মী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু উল্লেখ করেন, বর্তমানে দেশের মানুষ নিরাপত্তাহীনতা ভুগছে, যেখানে মাদক ও সন্ত্রাসমূলক আচরণ সমাজের সকল স্তরে ছড়িয়ে পড়েছে। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এসব অপরাধের বিরুদ্ধে আপস করা হবে না। তিনি জানান, মাদক কারবারি, সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের আইন অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে লায়ন মো. খোরশেদ আলম বলেন, বেগম খালেদা জিয়া দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় যে সংগ্রাম করেছেন, বিএনপি তাঁর আদর্শ রক্ষার্থে জনগণের পাশে আছে এবং থাকবে। তিনি নেতাকর্মীদের নির্বাচনী মাঠে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে এডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী বলেন, বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের জন্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অপরিহার্য। এর মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার দেশকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে সক্ষম হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য নির্বাচনি প্রচারণা শুরু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাজধানীর পুলিশ প্লাজা থেকে প্রচারণার কার্যক্রম উদযাপন করা হয়। এই উপলক্ষে বিপুল সংখ্যক সমর্থক এবং স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
প্রচারণায় ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনি প্রচারণা কমিটির উপদেষ্টা মো. আবুল কাশেম, আহ্বায়ক ইথুন বাবু, যুগ্ম-আহ্বায়ক রিজিয়া পারভীনসহ অন্যান্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
অন্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন রফিকুল ইসলাম রফিক, খালেদ এনাম মুন্না, সাজ্জাদ পলাশ, ড. শাহরিয়া সামাদ, মৌসুমী চৌধুরী, আকলিমা মুক্তা, এস এম বি হৃপন, রুবাবা তারেক, নাজনীন আকবর হক, আতিকা ইসলাম, শারার কাশফি, কাজী সাজেদুর রহমান, আমিরুল ইসলাম জনি, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক মির্জা সমাট রেজা, রোকনুজ্জামান দিপু, বদিউজ্জামান টুটুল, শামীমা আক্তার রুবি, নাহিদ চৌধুরী রানা, জান্নাতুল ফেরদৌস, পরান আহসান, আব্দুর রউফ, মালেক মুন্সী, অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম মিজান, হোসনে আয়ারা মায়া, দিদারুল আলম দিদার, মো. আবুল খায়ের, শরীফুল ইসলাম সুজন, প্রমা আজিজ, ওয়াসিম কবির (গামছা পলাশ), মনোয়ার হোসেন ভুইঁয়া শাওন, মো. দেলোয়ার হোসেন দ্বীপ, আবির খান, হাসানুজ্জামান হাসান এবং মো. ফরিদ।
প্রচারনার সময়ে সমর্থকদের মধ্যে উল্লাস ও উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়েছিল। নেতাকর্মীরা সমর্থকদের উদ্দেশ্যে বক্তৃতা প্রদান করেন এবং ভোটারের অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।
একইসঙ্গে তারা তারেক রহমানকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের ভোটাধিকারের প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত করে ঢাকা-১৭ সহ সংশ্লিষ্ট আসনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জামালপুরের সরিষাবাড়ী এলাকায় গোপন বিয়ের অভিযোগ উঠেছে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে তার স্কুলের আইসিটি শিক্ষকের।
সম্প্রতি, পোগলদিঘা ইউনিয়নের যমুনা উচ্চ বিদ্যালয়ে এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় জনতা ও ছাত্রদের মধ্যে প্রতিবাদের ঝড় ওঠে এবং তারা অভিযুক্ত শিক্ষককে বিদ্যালয় থেকে উত্তরণের দাবি জানায়।
অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক মুশফিকুর রহমান লিটন সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলার গুজাবাড়ী গ্রামের তোতা মিয়ার সন্তান এবং এনটিআরসির নিয়োগপ্রাপ্ত যমুনা উচ্চ বিদ্যালয়ের আইসিটি শিক্ষক। শিক্ষকের বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে ছাত্রদের প্রতি অশালীন আচরণ নিয়ে অভিযোগ উঠতে থাকে। সম্প্রতি তার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে তিনি গোপনে দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে বিয়ে করেছেন।
এই ঘটনার পর সামাজিক অস্থিরতা দেখা দেয় এবং শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদ করে। অভিযোগ অনুযায়ী, বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত শিক্ষককে সরে যেতে নির্দেশ দেয়। বিদ্যালয় থেকে জানানো হয়, তিনি গত ২০ জানুয়ারি থেকে অনুপস্থিত।
বিক্ষুব্ধ ছাত্রদের মধ্যে ইমন হাসান ও সুমন মিয়া বলেন, 'আমরা তার সন্তানের মতো। স্ত্রী ও সন্তান থাকা অবস্থায় একজন অপ্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীকে বিয়ে করা unacceptable। আমরা তাকে বিদ্যালয়ে দেখতে চাই না।' তারা তাদের অভিযোগের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা চান।
বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা, মুরাদ হাসান, জীবন মাহমুদ এবং আনিছুর রহমান মতামত দেন যে, একজন শিক্ষকের এমন আচরণ কখনই গ্রহণযোগ্য নয় এবং তারা তার অপসারণের দাবি আদায় করেছেন।
ছাত্রীর নানা আব্দুর রশিদ মন্তব্য করেন, 'শিক্ষক আমাদের পরিবারের অজান্তে বিয়ে করেছেন। এটি সামাজিক ও নৈতিকভাবে ভুল।'
অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী কানিজ ফাতেমা অভিযোগ করেছেন, তার স্বামীর সঙ্গে শিক্ষার্থীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছে যার কারণে তাদের দাম্পত্য কাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কানিজ বলেন, 'তার শারীরিক নির্যাতনের কারণে আমি তালাক দিয়েছি।'
অভিযোগের প্রেক্ষাপটে অভিযুক্ত শিক্ষক মুশফিকুর রহমান লিটন বলেছেন, 'আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ মিথ্যা ও ষড়যন্ত্র।'
যমুনা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, 'বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীরা বিষয়টি জানতেন না। অভিযোগ পাওয়ার পর অভিযুক্ত শিক্ষকের বিদ্যালয় ছাড়তে বলা হয়েছে এবং তাকে আপাতত তিন দিনের জন্য ছুটি দেওয়া হয়েছে।'
তিনি এও জানান, বিষয়টি তদন্ত করা হবে এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করা হবে। অভিযোগ সত্য হলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) তাসনিমুজ্জামান জানিয়েছেন, 'বিষয়টি জানতাম না; তবে তদন্ত করে যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয় তাহলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ