প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
থাইল্যান্ডে ১৯তম জাতীয় কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতায় উপস্থিত থেকে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন দেশটির রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন ও রানি সুথিদা। এই প্রতিযোগিতা ১০ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে দক্ষিণ থাইল্যান্ডের পাত্তানি প্রদেশের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়। এতে ধর্মীয় নেতারা, সরকারি কর্মকর্তারা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
রাজা ও রানি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহিত করেন। তাঁরা বিজয়ী, রানারআপ এবং বিশেষ সম্মাননা পাওয়া প্রতিযোগীদের হাতে ট্রফি তুলে দেন। প্রতিযোগিতার বিচারক এবং আয়োজনে সহযোগিতা করা ব্যক্তিদেরও স্মারক সম্মাননা প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের জাতীয় কোরআন তিলাওয়াত প্রতিযোগিতার বিজয়ী ফাউজি হামা পবিত্র কোরআন তিলাওয়াত করেন। এরপর উইরোট উটপ্রাদিত তিলাওয়াতের অর্থের থাই অনুবাদ পাঠ করেন।
থাইল্যান্ডের প্রধান ইসলামি ধর্মীয় নেতা শেখুল ইসলাম আরুন বুনচম রাজা, রানি ও রাজপরিবারের সদস্যদের কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া করেন। পরে রাজা ও রানি দেশটির ইসলামি ধর্মীয় নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।
এ সময় ২০২৫ সালে দায়িত্ব পালনে বিশেষ অবদান রাখা প্রাদেশিক ইসলামি কমিটির সদস্য ও ইমামদের হাতে সম্মাননাপত্র ও নগদ অর্থ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। দক্ষিণ থাইল্যান্ডের বিভিন্ন বেসরকারি ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নির্বাচিত প্রতিনিধি, বিদ্যালয় প্রশাসক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেরও কৃতিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ পুরস্কার দেওয়া হয়।
রাজপরিবারের এই সফরে মানবিক সেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়। রাজকীয় চিকিৎসক দলের মাধ্যমে সাধারণ মানুষসহ মোট ৭৮৭ জনকে বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি অনুষ্ঠানে আগত ব্যক্তিদের মধ্যে তাজা হালাল খাবারের প্যাকেট বিতরণ করা হয়।
থাইল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে মুসলিম জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য বসবাস রয়েছে। ইসলামি শিক্ষা, ধর্মীয় নেতৃত্ব ও কোরআন তিলাওয়াতের চর্চাকে ঘিরে এ ধরনের আয়োজন মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন