প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ওমর সানীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য ও ট্রল দেখা যায়। তবে ঢালিউডের এই জনপ্রিয় নায়ক এসব নিয়ে খুব একটা চিন্তিত নন। বরং তিনি দাবি করেন, তার জীবনে এমন কোনো কাজ নেই, যা নিয়ে ট্রল করা সম্ভব।
সম্প্রতি গণমাধ্যমের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ট্রল ও সমালোচনার বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন ওমর সানী। এ সময় তিনি সরাসরি কথা বলার অভ্যাস, জীবনযাপন এবং ব্যক্তিগত সম্পদ নিয়েও খোলামেলা আলোচনা করেন।
ট্রল প্রসঙ্গে ওমর সানী বলেন, "আসলে আমাকে নিয়ে ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ আমি আমার জীবনেও করিনি। হয়তো বা আমার কর্মকাণ্ডকে ট্রলের মতো করে ওরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কতগুলো ফালতু লোক আছে, যাদের অনেকে বট বাহিনীও বলে—যারা ট্রলের মতো করে। কিন্তু ট্রল হওয়ার মতো কোনো কাজ আমার নেই।"
নিজের প্রতিবাদী স্বভাবের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, "আমি সরাসরি কথা বলতে পছন্দ করি। এই সরাসরি কথা বলাটা অনেকের ভালো লাগে না। যাদের আঁতে ঘা লাগে, তারা এসব ছড়ায়। এসবে তাই পাত্তা দিই না। যারা এসব করে, তারা ফালতু লোক।"
সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যবহৃত একটি ঘড়ি নিয়েও তিনি কথা বলেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দামি ঘড়ি নিয়ে মানুষের নানা ধরনের প্রচার-প্রচারণার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, "অনেকেই বাংলাদেশে বলছে, ‘ভাই, আমার ঘড়িটা দেখছেন? এই ঘড়িটা কিন্তু প্রায় ২৯ লাখ টাকার।’ আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় এমনটা দেখেছি। আমার হাতেও একটা ঘড়ি আছে। হয়তো আমি ওমর সানীকে এই ঘড়ি পরতে দেখে অনেকের কাছে খুব দামি মনে হচ্ছে। আসলে এটার দাম অত না, এটা মাত্র ১১০০ টাকা।"
নিজের সম্পদ নিয়ে বাড়তি জাহির করার অভ্যাস নেই বলেও জানান এই চিত্রনায়ক। তার ভাষ্য, "আমি এটা প্রাউডলি বলতে পারি, কোনো দিন কোনো কিছুতে আলগা বাহাদুরি করিনি। আমার মার্সিডিজ থাকার পরও আমি ফুটানি করি না। এটা নিয়ে বড় করে কথা বলার কিছু নেই।"
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া কোনো পোস্ট বা মন্তব্যের কারণে কখনো সেটি মুছে ফেলেছেন কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "না, এ রকম কখনো মনে হয়নি। কারণ, আমি পোস্ট কখনো ডিলিট করার মতো করিনি। একবার হয়তো বা করেছিলাম কিংবা দুবার করেছিলাম। কিন্তু আমি কাউকে ছোট করে কখনো পোস্ট করিনি। কেউ এমনটা দেখাতেও পারবে না।"
এ সময় শিল্পীদের কথা বলা নিয়েও মন্তব্য করেন তিনি। ওমর সানীর মতে, শিল্পীরা যেখানে তুলনামূলক কম কথা বলেন, সেখানে শিল্পী নন—এমন অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশি কথা বলেন।
১৯৯৪ সালের ২ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া দীলিপ সোম পরিচালিত ‘দোলা’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় জুটি বাঁধেন ওমর সানী ও মৌসুমী। এরপর ‘আত্ম অহংকার’, ‘প্রথম প্রেম’, ‘মুক্তির সংগ্রাম’, ‘হারানো প্রেম’, ‘গরিবের রানি’, ‘প্রিয় তুমি’, ‘সুখের স্বর্গ’, ‘মিথ্যা অহংকার’, ‘ঘাত প্রতিঘাত’ ও ‘লজ্জা’সহ বহু সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছেন তারা। পর্দার এই জুটি বাস্তব জীবনেও ঢালিউডের পরিচিত তারকা দম্পতি হিসেবে দর্শকের ভালোবাসা পেয়ে আসছেন। ১৯৯৫ সালের ২ আগস্ট বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই তারকা দম্পতি। তাঁদের দুই সন্তান ফারদিন ও ফাইজা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন