প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ১৫ আগস্টের ঘটনার জন্য সামরিক কর্মকর্তাদের প্রতি অবহেলা ও অপমানের প্রতিশোধ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ওই ঘটনার সঙ্গে সাধারণ মানুষের কোনো সম্পর্ক ছিল না। ৭ নভেম্বরের ঘটনা সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি ছিল সিপাহিদের নেতৃত্বে সংগঠিত একটি বিপ্লব, যেখানে সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে একাত্মতা প্রকাশ করেছিল।
শুক্রবার সকালে ঢাকার আল-ফালাহ মিলনায়তনে একটি আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সভাটি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
শফিকুর রহমান তার বক্তব্যে ১৯৭২ সালের পরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন। তিনি অভিযোগ করেন, তখনকার সরকার ১৯৭০ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী ইসলামি সংগঠনগুলোকে নিষিদ্ধ করে। এর ফলে জনগণের ম্যান্ডেটও হারিয়ে যায়। তিনি বলেন, রক্ষীবাহিনীকে অসীম ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, যা বিচারহীনতার সংস্কৃতি সৃষ্টি করে। একদলীয় বাকশাল ব্যবস্থা নানা ধরনের দমনপীড়নের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, সেই সময় সেনাবাহিনীর সদস্যদের অপমান করা হতো। এক সেনা কর্মকর্তার স্ত্রী অপহৃত হয়েছিল। বিচার চাওয়ার কারণে ওই কর্মকর্তা চাকরি হারান। এমন নৈরাজ্যের ফলস্বরূপ ১৫ আগস্টের পটপরিবর্তন ঘটে। এরপর ৩ নভেম্বর ব্রিগেডিয়ার খালেদ মোশাররফের পাল্টা অভ্যুত্থানে অস্থিরতা আরও বৃদ্ধি পায়।
শেষে ৭ নভেম্বর সিপাহিরা সংগঠিত হয়ে জিয়াউর রহমানকে বন্দিদশা থেকে মুক্ত করেন। তার বর্ণনায়, তখন রাজপথে সাধারণ মানুষ তাকবির ধ্বনি দিয়ে তাদের স্বাগত জানায়। এই দিনটি ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন