প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন মন্তব্য করেছেন যে, জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে বিশ্বের একমাত্র জিয়া পরিবারের '৩য় সদস্য হিসেবে তারেক রহমান' ভাষণ দিয়ে একটি নতুন ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। এর আগে, বিশ্বের কোনো পরিবারের 'বাবা, মা এবং ছেলে' রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান হিসেবে জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দেননি। তারেক রহমানের বাবা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া জাতিসংঘের অধিবেশনে ভাষণ দিয়েছেন। তারেক রহমানের এই ভাষণ জাতিসংঘে নজিরবিহীন ইতিহাস হয়ে থাকবে। এতে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। জাতি হিসেবে আমরা গর্বিত এবং সম্মানিত হয়েছি।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দাউদকান্দি পৌর সদরে ফ্যাসিস্ট আ'লীগের দেশবিরোধী গভীর ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সমাবেশ শেষে প্রধান অতিথি ড. খন্দকার মারুফ হোসেনের নেতৃত্বে দাউদকান্দি পৌর সদরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। দাউদকান্দি পৌর বিএনপি এই বিশাল মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করেছে।
ড. খন্দকার মারুফ বলেন, তারেক রহমানের জাতিসংঘের ভাষণে জাতির মর্যাদা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে দেশ ও জনগণের জন্য কল্যাণ বয়ে আনবে। কিন্তু এদিকে, দেশকে অস্থিতিশীল করতে ফ্যাসিস্ট আ.লীগ গভীর ষড়যন্ত্রে ব্যস্ত রয়েছে। দেশ ও জনগণের প্রতি এই সন্ত্রাসী সংগঠনটির সামান্যতম ভালোবাসা নেই।
তিনি উল্লেখ করেন, তারেক রহমান জাতিসংঘের ভাষণে টেকসই গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাসহ একটি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনের জন্য আগামীর পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন। তারেক রহমান ভাষণে ফ্যামিলি, ফার্মার্স ও ই-হেলথ কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাগুলো সমন্বয় করে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানান। এই কার্ডের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে সরাসরি প্রণোদনা পৌঁছানো এবং কৃষি ভর্তুকি ও চিকিৎসাসেবা সহজ করার সুযোগ থাকবে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির এই সদস্য বলেন, প্রধানমন্ত্রী অধিবেশনের ফাঁকে সাইডলাইনে বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের সাথে বৈঠক করেন। তিনি বৈঠকে নিজ দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে নানা প্রস্তাবনা তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ অধিবেশনে উপস্থিত বিভিন্ন রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের কাছে দারুণভাবে প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিস্ট আ'লীগ একদলীয় শাসন চালিয়ে বিগত ১৬ বছর দেশের জনগণকে অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। তাদের নেতাও একদলীয় বাকশাল প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গণতন্ত্র ও মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করেছে। জনগণের বাকস্বাধীনতা কেড়ে নিয়েছে। ফ্যাসিস্ট হাসিনাও বিএনপি এবং ভিন্নমতের নেতাকর্মীদের গুম, অপহরণ ও হত্যা করেছে। মিথ্যা মামলায় আয়নাঘরে ও জেলে আটকে রেখে অগণিত মানুষের জীবন ও পরিবার বিপন্ন করেছে।
নিষিদ্ধ আ'লীগের নেতারা বিদেশে বসে নিজ দেশে অশান্ত পরিস্থিতি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে। শান্তিপ্রিয় জনগণ তাদের সহিংস তৎপরতা রুখে দেবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকারের সভাপতিত্বে এবং সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরীর সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন, দাউদকান্দি উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক এম. এ লতিফ ভূইয়া, সাবেক সদস্য সচিব ভিপি জাহাঙ্গীর আলম, বিএনপি নেতা আবদুস সাত্তার, কাউসার আলম সরকার, মাহবুব হোসেন হিরণ, কামাল হোসেন, খন্দকার বিল্লাল হোসেন সুমন, শরীফ চৌধুরী, রোমান খন্দকার, আইরিন সরকার ফরিদা ইয়াসমিন, ছাত্র দল নেতা মো. রাসেল ও পাভেল আহমেদ লিটন প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন