প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ‘শ্রমিক কল্যাণ’ তহবিলের নামে রশিদ দিয়ে অর্থ আদায়ের অভিযোগে পুলিশ ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা থেকে চারজনকে আটক করেছে। অভিযোগ উঠেছে যে, তারা গত দুই সপ্তাহ ধরে মহাসড়কে পরিবহন থামিয়ে নিয়মিত টাকা সংগ্রহ করছিলেন।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যার আগে ফরিদপুর সদর উপজেলার মুন্সিবাজার এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজমীর হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে তাদের হাতেনাতে আটক করে। পরে কোতোয়ালি থানায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সেগুলো নেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে, এবং তারা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি থানার ওসি মো. মাহমুদুল হাসান।
আটক ব্যক্তিরা হলেন মো. ফরহাদ হোসেন, মো. দিলু মিয়া, মো. জুলফিকার ও মো. মতি শেখ। তারা সদর উপজেলার বাসিন্দা এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, গত কয়েক দিন ধরে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে ‘শ্রমিক কল্যাণ’ তহবিলের নামে রশিদ দিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছিল। বিষয়টি স্থানীয়দের প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ নজরদারি বৃদ্ধি করে। এর ফলে মঙ্গলবার অভিযানের মাধ্যমে আটক চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হয়েছিল যে, প্রতিটি বাস থেকে নির্দিষ্ট হারে অর্থ আদায় করা হচ্ছে। পরে জানা যায়, আটক ব্যক্তিরা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। সংগঠনটি শ্রমিকদের কল্যাণে কাজ করে এবং তাদের তহবিলে অর্থ জমা দেওয়া হয়। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, ‘স্থানীয়দের অভিযোগের ভিত্তিতে পরিবহন থেকে টাকা উত্তোলনের সময় চারজনকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে জানতে পারি চাঁদা আদায়কারীরা শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য। নিহত-আহত শ্রমিকদের কল্যাণে সংগঠনটি কাজ করে বলে জানা গেছে। পরবর্তীতে শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃবৃন্দের জিম্মায় তাদের চারজনকে দেওয়া হয়েছে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন