বৃহস্পতিবার, ২২শে জানুয়ারী, ২০২৬ ইং
০৪:১২ পি.এম
নিউমার্কেট থানার সাইন্সল্যাব এলাকায় আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীদের হামলায় আহত হয়েছেন ঢাকা কলেজের ১৮ বছরের এক শিক্ষার্থী, যার নাম তাইমুর রহমান তামিম। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।
আহতের চাচাতো ভাই জুয়েল রানা জানান, তামিম সাইন্সল্যাব এলাকার দিকে বন্ধুদের সাথে হোস্টেলে ফেরার পথে, দুপুর সোয়া ১২টায়, আইডিয়াল কলেজের ৮-১০ জন শিক্ষার্থী আচমকা তাকে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। এ কারণে তিনি আহত হন।
পরে তাকে উদ্ধার করে দুপুর দেড়টার দিকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
এছাড়াও, তামিমের আরও তিন বন্ধুকেও আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরা মারধরের মাধ্যমে আহত করেছে। তারা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ‘আহত শিক্ষার্থী জরুরি বিভাগের চিকিৎসা পেয়েছে।’ চিকিৎসকের সূত্র অনুসারে, তিনি আরও বলেন, ‘তার অবস্থা গুরুতর নয়।’
আহত তামিম ঢাকা কলেজের একাদশ শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী। তার বাড়ি কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থানার কালুয়া গ্রামে। তার বাবার নাম মোতাহার রহমান।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বিশেষভাবে বলেছেন, অনেকেই জানতে চান, ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রার্থী কে? তাঁর সাাথে আলোচনা করার সময় তিনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ’র প্রার্থী আমরা সবাই। কারণ, ‘হ্যাঁ’ ভোট আমাদের এনে দেবে একটি গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা।
তিনি উল্লেখ করেছেন, আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ সিল দেওয়ার মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ তৈরি হবে। হ্যাঁ’তে সিল দিন, আপনার পরিচিতদের সিল দিতে উদ্বুদ্ধ করুন এবং তাদের ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসুন। দেশ পরিবর্তনের সুযোগ হাতছাড়া করবেন না।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সকালে খুলনা বিভাগীয় অডিটোরিয়ামে গণভোট ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. মোখতার আহমেদ।
হ্যাঁ ভোটের ব্যাখ্যা করে আলী রীয়াজ বলেন, এর মাধ্যমে সরকার এবং বিরোধী দল একসাথে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও নির্বাচন কমিশন গঠনে কাজ করবে।
ক্ষমতাসীনরা ইচ্ছেমতো সংবিধান পরিবর্তন করতে পারবে না; জনগণের সম্মতি ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক পরিবর্তন সম্ভব নয়। বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংসদীয় কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হবে। একজন ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছরের বেশি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারবেন না। বিচারব্যবস্থা স্বাধীনভাবে কাজ করবে, ফলে বিচারের বাণী আর নীরবে নিভৃতে কাঁদবে না।
তিনি জানান, ফ্যাসিবাদের যাঁতাকলে নিষ্পেষিত জাতি অতিরিক্ত স্বৈরশাসন বা দুঃশাসন চায় না। তারা একটি আলোকিত ভবিষ্যৎ গড়তে চায়, নতুন দিন আনতে চায়; যেখানে সমতা এবং আনন্দ থাকবে, এবং গুম হওয়ার ভয় থাকবে না, গায়েবি মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার আতঙ্ক থাকবে না। এই স্বপ্ন ছিল আমাদের মহান মুক্তিযোদ্ধাদের, যা জুলাই গণঅভ্যুত্থানে জীবন দিয়ে সত্যি করে তুলেছে ছাত্র-জনতা।
আলী রীয়াজ বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের জাতির ইতিহাসে একটি অসাধারণ অর্জন হিসেবেই গণ্য হবে।
এই অভ্যুত্থান দ্বারা গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ এসেছে, যা দেশে ইতোমধ্যে কিছু সংস্কারের সূচনা করেছে।
কিন্তু আরও গভীর ও সুদূরপ্রসারী সংস্কারের জন্য প্রয়োজন জানিয়ে তিনি বলেন, এজন্য সব রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই সনদ প্রণয়ন করা হয়েছে। এই সনদ বাস্তবায়নের জন্য জনগণের সরাসরি সম্মতি প্রয়োজন, তাই গণভোটের আয়োজন করা হয়েছে। তিনি সকলকে উদ্দেশ্য করে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায় দিতে আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি মনির হায়দার বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে ফ্যাসিবাদের পথ বন্ধ হয়ে যাবে, যা আমাদের সংবিধানের দুর্বলতার কারণে সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, গণভোটের মাধ্যমে পূর্বসূরিদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হবে। প্রশ্ন উঠেছে, কী ছিল সেই স্বপ্ন? সেই স্বপ্নের কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, সাড়ে ৫৪ বছর আগে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় স্বাধীন দেশের স্বপ্নে শপথ নেওয়া হয়েছিল, যেখানে সমতা, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে নতুন দেশ গড়ার লক্ষ্য ছিল; যেখানে বৈষম্য, বঞ্চনা ও শোষণ থাকবে না।
তিনি অর্থনৈতিক লুটপাট চিরতরে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে গঠিত কমিশনের রিপোর্টে দেখা গেছে, গত ১৬ বছরে দেশে প্রায় সোয়া দুই লাখ কোটি টাকা পাচার হয়ে গেছে। এই অর্থ মানুষের অধিকার, যার মাধ্যমে দেশের উন্নয়ন হতে পারত। তাই লুটেরাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে।
অনুষ্ঠানে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক মাকসুদ হেলালী, খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি মো. রেজাউল হকসহ অনেকেই বক্তৃতা করেন। মতবিনিময় সভায় খুলনা বিভাগের ১০ জেলার প্রশাসক, পুলিশ সুপারসহ উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। তথ্য অধিদপ্তরের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছেন।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬-এর প্রতিযোগিতায় অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছে বগুড়ার কৃতী শিক্ষার্থী সৌমিকা লাহিড়ী।
তিন দেশের জাতীয় পর্যায়ে দেশাত্মবোধক গানে প্রথম স্থান অর্জন করার মাধ্যমে সে একটি গোল্ড মেডেল লাভ করেছে এবং নজরুল সংগীতে দ্বিতীয় স্থান পেয়ে একটি রৌপ্য মেডেলও অর্জন করে। সম্প্রতি রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে সারাদেশের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
বগুড়া আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী সৌমিকা সঙ্গীতে তার যাত্রা শুরু করে মাত্র চার বছর বয়সে। পাশাপাশি, বগুড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমি, উদীচী শিল্পীগোষ্ঠী এবং ত্রিতাল শিশু মনন বিকাশ কেন্দ্র থেকে সে নিয়মিত সঙ্গীত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে।
সৌমিকার প্রথম সঙ্গীত শিক্ষক হিসেবে পরিচিত বিশিষ্ট কণ্ঠশিল্পী ও প্রশিক্ষক উমা দাস ছিলেন। পরে আরও বিভিন্ন শিক্ষক থেকে প্রশিক্ষণ নেন, যেমন প্রণব কান্ত স্যানাল, আব্দুল আলিম, রোজিনা আলিম ও রিপন দত্ত।
সৌমিকার বাবা, সৌম্য লাহিড়ী বলেন, তার মেয়ে সঙ্গীতের পাশাপাশি তাল যন্ত্রেও দক্ষ। বগুড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমির প্রশিক্ষক বিমল কবিরাজের কাছ থেকে সে তবলায় প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেছে।
সৌমিকা ২০২১ সালে জাতীয় পর্যায়ে নজরুল ও লালন সংগীতে প্রথম স্থান অর্জন করে এবং দুটি গোল্ড মেডেল জিতেছিল। ২০২২ ও ২০২৩ সালে উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করার পর, জাতীয় পর্যায়ে রবীন্দ্র সংগীতে প্রথম এবং দেশাত্মবোধক গানে দ্বিতীয় স্থান পায়। এছাড়া, ২০২৩ সালের জাতীয় তবলা প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান অর্জন করে। ২০২৩-এ বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজন করা জাতীয় প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতায় পঞ্চগীতি কবির গানে প্রথম এবং বাংলাদেশের উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর জাতীয় গণসংগীত প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় স্থান লাভ করে। ২০২৫ সালে জাতীয় শাপলা কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় রবীন্দ্র সংগীতে তৃতীয় এবং লোকসংগীতে প্রথম স্থান অর্জন করে।
এখন পর্যন্ত, সৌমিকা লাহিড়ী মোট ১১টি জাতীয় পুরস্কার অর্জন করেছে, যার মধ্যে পাঁচটি গোল্ড মেডেল এবং ছয়টি রৌপ্য মেডেল অন্তর্ভুক্ত। সর্বশেষ জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ ২০২৬-এর প্রতিযোগিতায় আবারও জাতীয় পর্যায়ে সাফল্য এনে বগুড়ার মুখ উজ্জ্বল করেছে এই প্রতিভাবান কিশোরী শিল্পী।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ‘বোর্ড অফ পিস’এ স্থায়ী সদস্যp হতে বিশ্বনেতাদের নিকট থেকে ১০০ কোটি ডলার দাবি করা হয়েছে। এর পর ট্রাম্প বুধবার জানিয়েছেন, ‘বোর্ড অব পিস’-এ যুক্ত হওয়ার জন্য সম্মতি জানিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। এ মন্তব্যের পর রুশ প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে রসিকতা করেন।
মস্কোতে এক মন্ত্রিসভার বৈঠকে পুতিন বলেন, ‘রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে এই প্রস্তাবটি বিশ্লেষণের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং কৌশলগত সহযোগীদের সাথে আলোচনা করতে বলা হয়েছে।
এর পরে আমরা আমন্ত্রণের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাতে সক্ষম হব।’
ট্রাম্পের ‘বোর্ড অব পিস’-এ স্থায়ী সদস্য হওয়ার জন্য ১০০ কোটি ডলার দাবি নিয়ে ঠাট্টা করে পুতিন উল্লেখ করেন যে, ‘এই অর্থ দেওয়া যেতে পারে যুক্তরাষ্ট্রে জব্দ করা রুশ সম্পদ থেকে। বরং এই অর্থ ইউক্রেন যুদ্ধের পর ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চল পুনর্গঠনের জন্যও ব্যবহার করা যেতে পারে।’
গাজা পুনর্গঠনের তদারকির জন্য প্রস্তাবিত হলেও, বোর্ডটির কাজের কার্যস্বীকৃতি শুধুমাত্র গাজা সীমাবদ্ধ নয় বলেই মনে হচ্ছে।
জাতিসংঘের বিকল্প হিসেবে গড়ে তুলতে চাওয়ার আশঙ্কায় ইতোমধ্যে ফ্রান্স সহ কিছু মার্কিন মিত্র দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ
সারা দেশের জনগণ এখন পরিবর্তনের জন্য একত্রিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের প্রধান সংগঠক সারজিস আলম। শুক্রবার পঞ্চগড় চিনিকল মাঠে অনুষ্ঠিত জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) দুপুরে চিনিকল মাঠ পরিদর্শনের সময় তিনি এই মন্তব্য করেছেন।
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১০ দলের নির্বাচনী জোটের অংশ হিসেবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে মনোনীত পঞ্চগড়-১ আসনের প্রার্থী সারজিস আলম বলেন, জামায়াতে ইসলামী, একটি বড় রাজনৈতিক দলের সম্মানিত আমির, ফোরামটি উদ্বোধন করবেন এবং তার মাধ্যমে মানুষে মধ্যে পরিবর্তনের যে ঢেউ সৃষ্টি হয়েছে তা ইনশাআল্লাহ আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির বিজয় পর্যন্ত থাকবে। শুধু পঞ্চগড় নয়, দেশের সর্বত্র পরিবর্তনের পক্ষে জনগণ এখন একত্রিত হয়েছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে পুরোনো ও ব্যর্থ ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রতিশ্রুতি দিয়ে জনগণকে প্রতারিত করেছে, তারা এবার জনগণের কাছে প্রত্যাখ্যাত হবে। নির্বাচন উপলক্ষে যাদের মাঠে দেখা যায় না, যারা সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্টের সময়ে পাশে থাকে না, তাদের প্রতি জনগণের আর আগ্রহ থাকবে না।
সারজিস আলম আরও বলেন, কৃষক, শ্রমিক এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বললে দেখা যায় যে, সবাই পরিবর্তনের পক্ষে রয়েছে। মানুষে এখন একটি জাগরণ সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা এবার ভোট দিতে হবে কাকে তারা সবসময় পাশে পেয়েছে, সেটির ভিত্তিতে।
তিনি অভিযোগ করেন, কিছু ব্যক্তি এখনো ভয়ভীতি দেখিয়ে ভোট প্রাপ্তির চেষ্টা করছে এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে জনগণকে হয়রানি করছে, অর্থ আদায়ের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এই ধরনের জনবিমুখ কর্মকাণ্ডে যারা জড়িত, জনগণ তাদের বয়কট করবে বলে তিনি আশাবাদী।
এ ছাড়া, সারজিস আলম বলেন, যাদের কারণে জনগণের ভোগান্তি, তাদের বিরুদ্ধে এবার জনগণ রায় দেবে। ইনশাআল্লাহ, এ জনসভা পরিবর্তনের আন্দোলনে একটি নতুন গতি প্রদান করবে।
তালাশ বিডি/মিডিয়া লিঃ