প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রী শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় করা মামলায় চার্জশিটের অন্তর্ভুক্ত ১৮ সাক্ষীর মধ্যে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। বাকি সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ দুপুর দেড়টায় শুরু হওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন মামলার বাদী এবং ভুক্তভোগির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।
পরবর্তী সময়ে পর্যায়ক্রমে ভুক্তভোগির মা পারভীন আক্তার, বড় বোন, ফুপু মাহমুদা আক্তার, চাচা মিজানুর রহমান লিটন, চতুর্থ তলার বাসিন্দা মনির হোসেন, প্রতিবেশী জাকিরুল ইসলাম রাজু, শেখ আবু সামা, ফুপা মনিরুজ্জামান শাহীন এবং কনস্টেবল রোমা আক্তার আদালতে তাদের সাক্ষ্য দেন। এ সময় রাষ্ট্র নিযুক্ত আসামিপক্ষের আইনজীবী মুসা কলিমউল্লাহ তাদের জেরা করেন।
দুই ঘণ্টার সাক্ষ্যগ্রহণের পর আদালত দুপুর দেড়টা পর্যন্ত কার্যক্রম মূলতবি করেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী পঙ্কজ পিটার গোমেজ জানান, বাকি সাক্ষীরাও আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। সময়ের সঙ্গে দেখা হলে আজই সকল সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে, সকাল পৌনে ৯টার দিকে প্রধান আসামি সোহেল রানাকে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। তাদের ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সাক্ষ্যগ্রহণের পূর্বে দুই আসামিকে এজলাসে হাজির করা হয়েছে।
সোমবার আদালত দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশনা প্রদান করেন। একই দিনে বাদীসহ ১৭ সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন