প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জর্ডানের সামরিক বাহিনী সিরিয়ায় বিমান হামলা চালিয়েছে, যা গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলায় প্রাণহানির ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে হয়েছে। সোমবারের এই হামলায় অন্তত সাতজন নিহত হয়েছেন। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে একজন নারী এবং কয়েকটি শিশু রয়েছে।
জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানায়, গত সপ্তাহে কারাক গভর্নরেটে একটি গির্জায় বন্দুকধারীদের হামলায় ৯ জন নিহত হন এবং আরও কয়েক ডজন মানুষ আহত হন। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে সোমবারের বিমান অভিযান পরিচালিত হয়েছে।
জর্ডানের দাবি, হামলার লক্ষ্য ছিল সিরিয়ার দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর আস্তানা, যাদের গির্জায় হামলাকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে।
বিমান হামলার পর জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানায়, হামলায় এসব গোষ্ঠীর অনেক সদস্য নিহত ও আহত হয়েছেন এবং তাদের বেশ কয়েকটি যানবাহন ধ্বংস করা হয়েছে।
তবে, কোন বিশেষ গোষ্ঠীকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে কিংবা হামলার সুনির্দিষ্ট স্থান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য দেয়নি জর্ডান।
জর্ডান জানায়, সিরিয়ার সরকারের সঙ্গে সমন্বয় করেই এই অভিযান পরিচালিত হয়েছে, কিন্তু সিরিয়া এই দাবি অস্বীকার করেছে।
সিরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানায়, জর্ডানের হামলায় একই পরিবারের পাঁচজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে তিনটি শিশু, একজন নারী এবং একজন পুরুষ রয়েছেন।
এছাড়া, অন্য দুটি হামলায় ৬০ ও ৮০ বছর বয়সী দুই ব্যক্তি নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলীয় দারা ও সুয়াইদা প্রদেশে এই হামলাগুলো চালানো হয়।
সিরিয়ার সরকার এই হামলার ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে এবং এক বিবৃতিতে সীমান্তবর্তী এলাকায় ‘যৌথভাবে মাঠপর্যায়ে ও নিরাপত্তা বিষয়ে সমন্বয়ের’ গুরুত্ব তুলে ধরেছে।
জর্ডানের হামলার পর সিরিয়ার সীমান্ত কর্তৃপক্ষ নাসিব সীমান্ত ক্রসিং বন্ধ ঘোষণা করেছে, ফলে দুই দিকের যান চলাচল স্থগিত হয়ে গেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন