প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ এবং দলের সম্ভাব্য একাদশের গোপন তথ্য ফাঁসের ঘটনায় ভারতীয় ক্রিকেটে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে চেন্নাই সুপার কিংসের এক খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে যে, ২০২৫ আইপিএলে ম্যাচের আগে একাদশের তথ্য প্রদান করা হয়েছে। এই বিষয়ে তদন্তের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
চেন্নাই সুপার কিংসের একজন কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, ‘আমাদের সামনে বার্ষিক সাধারণ সভা রয়েছে। এর আগে বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা হয়নি।’ চেন্নাই কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান ‘জিরো টলারেন্স’।
অভিযোগের সূত্র হিসেবে সাবেক ঘরোয়া ক্রিকেটার রাচিত ভাটিয়ার নাম উঠে এসেছে। অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, চেন্নাই সুপার কিংসের এক খেলোয়াড়ের কাছ থেকে পাওয়া একাদশের তথ্য লন্ডনের জুয়াড়িদের কাছে পৌঁছানো হয়েছিল। সেখানে প্রতি ম্যাচে ৬০ লাখ রুপি এবং পাঁচ ম্যাচে মোট প্রায় ৩ কোটি রুপি লেনদেনের কথা বলা হয়েছে। তবে এসব দাবির সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি।
এদিকে, সাবেক চেন্নাই সুপার কিংস ক্রিকেটার বংশ বেদী অভিযোগগুলো সরাসরি অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, রাচিত ভাটিয়া যে ব্যক্তির কথা বলেছেন, আমি সেই ব্যক্তি নই। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আমার কোনো সম্পর্ক নেই।’
বেদী আরো জানান, ‘আমাকে এসব অভিযোগের সঙ্গে মিথ্যাভাবে জড়ানোর চেষ্টা মানহানিকর। আমার আইনজীবীরা দোষীদের বিরুদ্ধে দেওয়ানি ও ফৌজদারি ব্যবস্থা নিচ্ছেন।’
ফিক্সিং বিতর্কে চেন্নাই সুপার কিংসের নাম জড়ানো নতুন কিছু নয়। ২০১৩ আইপিএলে দলের কর্মকর্তা গুরুনাথ মেইয়াপ্পনের বাজি সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছিল।
তদন্তে ফিক্সিংয়ের প্রমাণ পাওয়ার পর ২০১৫ সালে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট নিযুক্ত লোধা কমিটি চেন্নাই সুপার কিংসকে দুই বছরের জন্য আইপিএল থেকে নিষিদ্ধ করে। একইসঙ্গে মেইয়াপ্পনকে ক্রিকেট সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড থেকে আজীবন নিষিদ্ধ করা হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন