প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে দেখা হওয়ার ধারণা নাকচ করেছে ইরান। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, মোজতবার সঙ্গে সাক্ষাতের সম্ভাবনা উত্থাপন করার পর, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এটি নাকচ করে দেন।
বুধবার (৩ জুন) নিউ ইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে, মোজতবার সাথে তার দেখা হওয়ার প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি তার সঙ্গে দেখা করতে চাই।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘সবকিছু কীভাবে এগোয় তার ওপর নির্ভর করে, সম্ভবত কোনো এক সময় আমাদের দেখা হবে।’
তবে, ইরানের শীর্ষ কূটনীতিক আরাঘচি এই সম্ভাবনাকে গুরুত্বহীন উল্লেখ করেন এবং বলেন যে, এটি বাস্তবসম্মত নয়।
বৃহস্পতিবার রাতে লেবাননের গণমাধ্যমে প্রচারিত এক সাক্ষাৎকারে এমনটা বলেন তিনি।
আরাঘচি আল মায়াদিন টেলিভিশন চ্যানেলকে বলেন, ‘আমি একটি প্রতিবেদন দেখেছি, যেখানে বলা হয়েছে যে তিনি (ট্রাম্প) বলেছেন, তিনি মোজতবার সাথে একটি বৈঠকের জন্য প্রস্তুত অথবা তিনি একটি বৈঠক করতে চান।’
কিন্তু পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমার মনে হয়, আমাদের বাস্তববাদী হওয়া উচিত এবং বাস্তব জগতে থাকা উচিত।’
২৮ ফেব্রুয়ারি মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় তার পিতা ও পূর্বসূরি আলী খামেনির মৃত্যুর পর মার্চ মাসে আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা নিযুক্ত করা হয়।
আরাঘচি সাক্ষাৎকারে আরও বলেন, যে হামলায় আলী খামেনি নিহত হন, সে সময় তিনি নেতার সেই কার্যালয়ের ভেতরেই ছিলেন যেখানে তিনি মারা যান, কিন্তু ভবনের অন্য একটি অংশে থাকায় তিনি অক্ষত ছিলেন।
এই হামলার কারণে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চলে ইসরাইল ও মার্কিন মিত্রদের বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়ে প্রতিশোধ নেয়।
আরাঘচি আরও জানান, নতুন সর্বোচ্চ নেতার দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে সম্পূর্ণ ও কার্যকর উপস্থিতি এবং পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রয়েছে।
নিয়োগের পর থেকে মোজতবা খামেনির জনসমক্ষে অনুপস্থিতির কারণ হলো যুদ্ধকে ঘিরে থাকা ‘নিরাপত্তাজনিত বিবেচনা।’ বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
এর আগে মার্কিন হামলায় মোজতবা গুরুতর আহত হনে বলে খবর বেরিয়েছিল।
সূত্র: টিআরটি ওয়ার্ল্ড
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন