প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে এসেছে আর্জেন্টিনা। ম্যাচের পরে আর্জেন্টিনার উদযাপনের মাঝেই সামনে এসেছে আরও একটি চমকপ্রদ ঘটনা। ইংল্যান্ড গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের পানির বোতলে পাওয়া গেছে আর্জেন্টিনাকে আটকে দেওয়ার একটি গোপন পরিকল্পনা।
ম্যাচ শেষে যেবার আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা সমর্থকদের সঙ্গে বিজয় উদযাপন করতে ব্যস্ত ছিলেন, তখন দলের ম্যাসাজ থেরাপিস্ট মার্সেলো ‘ড্যাডি’ ডি’আন্দ্রেয়া পিকফোর্ডের পানির বোতলটি হাতে পান। বোতলের গায়ে একটি কাগজে লেখা ছিল আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের নাম, এবং তারা সাধারণত কোন দিকে শট নেন, সেই তথ্যটিও সেখানে বিদ্যমান ছিল।
টেলিভিশনের ক্যামেরায় দেখা যায়, বোতলটি লিওনেল মেসি, নিকোলাস গঞ্জালেস ও মার্কোস সেনেসির কাছে নিয়ে যান ডি’আন্দ্রেয়া। মেসি মনোযোগ দিয়ে কাগজটি পড়ার চেষ্টা করেন। এরপর সকলেই মিলে সেটি নিয়ে আলোচনা করতে থাকেন। তবে ম্যাচ যখন শেষ পর্যন্ত টাইব্রেকারে চলে যায়, তখন সেই নোটই হতে পারত পিকফোর্ডের বড় অস্ত্র।
সেখানে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিল, যার মধ্যে ম্যাচে গোল করা এনজো ফার্নান্দেজের নামও ছিল। নিজের নাম খুঁজে পেয়ে হেসে ফেলেন মিডফিল্ডার ফার্নান্দেজ। এরপর আকাশের দিকে তাকিয়ে ইশারা করেন, যেন টাইব্রেকারে যেতে না হওয়ায় স্বস্তি অনুভব করছেন তিনি।
পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই কাগজের বিশদ ছবি প্রকাশ করেন আর্জেন্টিনার ফিটনেস কোচ লুইস মার্তিন। এতে স্পষ্ট হয়ে ওঠে, পিকফোর্ড আর্জেন্টিনার সম্ভাব্য পেনাল্টি শুটারদের জন্য আলাদা আলাদা নির্দেশনা লিখে রেখেছিলেন।
নিরীক্ষকঙ্গণে ম্যাচজুড়েই পিকফোর্ড এবং আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছিল চোখে পড়ার মতো। কয়েক দফা বাক্যবিনিময় এবং ধাক্কাধাক্কির পরে ইংল্যান্ডের অ্যান্থনি গর্ডন গোল করলে বিতর্কিত ভঙ্গিতে উদযাপন করেন পিকফোর্ড। পরে আর্জেন্টিনা সমতা ফেরালে পিকফোর্ডের সামনে উদযাপনে মাতেন ক্রিস্টিয়ান রোমেরো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন