প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্রের সোশ্যাল সিকিউরিটির অবসর ও সারভাইভার সুবিধার জন্য গঠিত ট্রাস্ট ফান্ডের রিজার্ভ দ্রুত হারে কমে যাচ্ছে। দেশটির কংগ্রেশনাল বাজেট অফিস (সিবিও) সতর্ক করেছে যে, কংগ্রেস যদি সময়মতো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করে, তাহলে ২০৩২ সালে এই তহবিলের অর্থ সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়ে যেতে পারে।
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, কর্মীদের বেতন থেকে সংগৃহীত পে-রোল ট্যাক্সের আয় এবং বর্তমান সুবিধা প্রদানের খরচের মধ্যে একটি বড় ঘাটতি সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘাটতি পূরণে ট্রাস্ট ফান্ডের রিজার্ভ ব্যবহার করা হলেও তা দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। তহবিল শূন্য হয়ে গেলে বর্তমান আইন অনুযায়ী সংগৃহীত রাজস্ব দিয়েই কেবল সুবিধা পরিশোধ করা সম্ভব হবে, যা পুরো অর্থ পরিশোধের জন্য যথেষ্ট নয়।
সিনেটর বিল ক্যাসিডি ও ডিক ডারবিনসহ কয়েকজন আইনপ্রণেতা সতর্ক করেছেন যে, তহবিলের অর্থ ফুরিয়ে গেলে অবসরপ্রাপ্তদের সুবিধার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, মাসে গড়ে ২ হাজার ৮৬ ডলার পাওয়া একজন ব্যক্তি ভবিষ্যতে কয়েকশ ডলার পর্যন্ত কম সুবিধা পেতে পারেন।
তবে, কংগ্রেস যদি আইন সংশোধন করে নতুন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তাহলে এই পরিস্থিতি পরিবর্তিত হতে পারে। সংকট সমাধানের লক্ষ্যে ক্যাসিডি ও ডারবিন ‘প্রমিজ অ্যাক্ট’ (PROMISE Act) নামে একটি দ্বিদলীয় প্রস্তাব উত্থাপন করেছেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সোশ্যাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজরি বোর্ডের মাধ্যমে এমন একটি প্রস্তাব তৈরি করা, যা ট্রাস্ট ফান্ডকে অন্তত ৫০ বছর টেকসই রাখবে।
বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিকদের মধ্যে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান নিয়ে বিভিন্ন মতপার্থক্য বিদ্যমান। কেউ উচ্চ আয়ের মানুষের ওপর কর বাড়ানোর পক্ষে, আবার কেউ অবসরের বয়সসীমা বা সুবিধার কাঠামোগত পরিবর্তনের কথা বলছেন। শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে, তার ওপরই নির্ভর করছে দেশটির লাখ লাখ অবসরপ্রাপ্ত মানুষের আর্থিক নিরাপত্তা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন