প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রান্নার জগতে গর্ডন রামসের নাম শুনলেই মনে পড়ে কঠোর সমালোচনা, তীক্ষ্ণ মন্তব্য এবং অসাধারণ খাবারের কথা। যদিও টেলিভিশনের পর্দায় তিনি রাগী স্বভাবের জন্য পরিচিত, তবে রান্নার দক্ষতা ও রেস্তোরাঁ ব্যবসায় সাফল্যের কারণে তিনি বিশ্বজুড়ে আলাদা পরিচিতি অর্জন করেছেন। আজ ৮ নভেম্বর, ৬০ বছরে পা রাখলেন এই তারকা রাঁধুনি।
১৯৬৬ সালের ৮ নভেম্বর স্কটল্যান্ডের জনস্টোনে গর্ডন জেমস রামসের জন্ম। ছোটবেলায় তার আগ্রহ ফুটবলে ছিল এবং পেশাদার ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু হাঁটুর চোটের কারণে তাকে সেই পথ থেকে সরে আসতে হয়। এরপর তিনি হোটেল ম্যানেজমেন্ট বিষয়ে পড়াশোনা করে রান্নার জগতে মনোযোগী হন।
কর্মজীবনের শুরুতে ইউরোপের কয়েকজন খ্যাতিমান শেফের অধীনে কাজ করেন রামসে। ১৯৯৩ সালে লন্ডনের রেস্তোরাঁ অবারজিনে প্রধান শেফ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সেখানে তার কাজের স্বীকৃতি হিসেবে রেস্তোরাঁটি মিশেলিনের দুটি তারকা অর্জন করে। ১৯৯৮ সালে লন্ডনে নিজের নামে রেস্তোরাঁ চালু করেন এবং পরে সেটি মিশেলিনের তিন তারকা অর্জন করে।
রেস্তোরাঁ ব্যবসার পাশাপাশি টেলিভিশনে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন রামসে। ‘হেলস কিচেন’, ‘মাস্টারশেফ’, ‘মাস্টারশেফ জুনিয়র’ এবং ‘কিচেন নাইটমেয়ারস’-এর মতো অনুষ্ঠান তাকে আন্তর্জাতিক পরিচিতি এনে দেয়। রান্নার ভুল নিয়ে প্রতিযোগীদের সঙ্গে তার কঠোর আচরণ ও সরাসরি মন্তব্য দর্শকদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।
২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পায় তার ওপর নির্মিত ছয় পর্বের তথ্যচিত্র ‘বিইং গর্ডন রামসে’। এই তথ্যচিত্রে তার ব্যক্তিগত জীবন, কর্মজীবন এবং লন্ডনের ২২ বিশপসগেট ভবনে রেস্তোরাঁ ব্যবসা সম্প্রসারণের উদ্যোগ তুলে ধরা হয়েছে। সম্প্রতি বিবিসির তিন পর্বের তথ্যচিত্র ‘রাইজ অব দ্য রকস্টার শেফ’-এও তাকে দেখা গেছে। এতে তার সঙ্গে শেফ মার্কো পিয়ের হোয়াইট ও হেস্টন ব্লুমেনথালের পেশাগত সম্পর্ক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতার নানা দিক তুলে ধরা হয়েছে।
রান্না, রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং টেলিভিশন—এই তিন ক্ষেত্রেই নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন গর্ডন রামসে। তিনি ছয় সন্তানের বাবা এবং স্ত্রী তানার সঙ্গে ১৯৯৬ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন