প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে প্রতিবন্ধী ভাতার সুবর্ণ কার্ড দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে সৈয়দা তামিমা খাতুন (৪৫) নামে এক নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) উপজেলা সদরের তর্পনঘাট গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার হওয়া তামিমা ওই গ্রামের আফজাল হোসেনের কন্যা।
এর আগে, সোমবার, সাহাবুর রহমান নামের এক ব্যক্তি থানায় অভিযোগ দায়ের করেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে, তামিমা ও তার সহযোগীরা প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, বাদীর শারীরিক প্রতিবন্ধী বাবা লুৎফর রহমানের প্রতিবন্ধিতা শনাক্তকরণ এবং প্রতিবন্ধী ভাতার সুবর্ণ কার্ড দেওয়ার কথা বলে অভিযুক্তরা দুই দফায় মোট পাঁচ হাজার ৩০০ টাকা গ্রহণ করেন। তারা চিকিৎসকের স্বাক্ষরযুক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও কার্ডের ব্যবস্থা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।
কিছুদিন পর, অভিযুক্তরা একটি প্রতিবন্ধী সনদ, চিকিৎসা প্রতিবেদন এবং প্রত্যয়নপত্র প্রদান করেন। যখন ভুক্তভোগী ব্যক্তি এসব কাগজপত্র উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে জমা দেন, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সেগুলোকে ভুয়া বলে চিহ্নিত করেন।
বাদী সাহাবুর রহমান বলেন, ‘প্রতিবন্ধী ভাতার সুবর্ণ কার্ড দেওয়ার আশ্বাসে দুই দফায় পাঁচ হাজার ৩০০ টাকা নেওয়া হয়। পরে কিছু ভুয়া কাগজপত্র দেওয়া হয়। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।’
তিনি আরও জানান, শুধু তার কাছ থেকেই নয়, এই চক্রের সদস্যরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কাছ থেকেও প্রতিবন্ধী ভাতার কার্ড দেওয়ার কথা বলে টাকা নিয়েছেন। সর্বশেষ গত ২ আগস্ট উর্মি খাতুন নামের এক নারীর কাছ থেকেও চিকিৎসা প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহের আশ্বাসে এক হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এ বিষয়ে নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কুদ্দুস বলেন, প্রতিবন্ধী কার্ড দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগে থানায় মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে অন্য কারও সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে তাদের বিরুদ্ধেও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন