প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় এক বৃদ্ধা নারীর মরদেহ দাফনের ১২ ঘণ্টা পর তুলে নেয়ার ঘটনা ঘটেছে, যেখানে দাবি করা হয় যে, তিনি জীবিত আছেন। এ ঘটনা ঘটতে থাকে কবর থেকে মরদেহ তুলে হাসপাতালে নেয়ার। চিকিৎসকদের মাধ্যমে ইসিজি পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয় যে, ওই নারী মৃত। এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
মৃত নারীর নাম হালিমা খাতুন। তিনি উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চর মাহমুদপুর এলাকার সোহরাব আকন্দের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি শুক্রবার দিবাগত রাত ১টার দিকে মারা যান। শনিবার সকাল ৮টার দিকে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
স্থানীয় বাসিন্দাদের কথা অনুযায়ী, দাফনের পর হালিমা খাতুনের এক মেয়ে পরিবারের সদস্যদের কাছে দাবি করতে থাকেন যে, ‘জিন’ তাঁকে জানিয়েছেন যে তাঁর মা এখনো জীবিত আছেন। এই কথা বলার পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বিশ্বাস করে শনিবার রাত ৯টার দিকে কবর খুঁড়ে হালিমা খাতুনের মরদেহ তুলে নেয়। পরে মরদেহটি অ্যাম্বুলেন্সে করে মেলান্দহের একটি হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এরপর তাঁর স্বজনরা তাঁকে জামালপুর পৌর শহরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানেও ইসিজি পরীক্ষার পর চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেন, হালিমা খাতুন মারা গেছেন।
চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করার পর তাঁর স্বজনরা মরদেহটি আবার বাড়িতে নিয়ে যান। এ সময়ে গণমাধ্যমকর্মীরা স্বজনদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও তারা এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি। পরে ওই রাতেই পারিবারিক কবরস্থানে পুনরায় দাফন করা হয়।
এদিকে, মৃত নারীর কবরে জীবিত থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর তাঁর বাড়িতে স্থানীয় মানুষের ভিড় জমে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
মেলান্দহ থানার ওসি এটিএম মাহমুদুল হক জানান, ওই নারী জীবিত থাকার বিষয়টির কোনো সত্যতা নেই ও এটিকে গুজব হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন