প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ : স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জানিয়েছেন, বর্তমান সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই কোটিরও বেশি শিশুর কাছে সফলভাবে টিকা পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে, সংকট কাটানোর পর।
তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে অব্যবস্থাপনা ও অবহেলার কারণে দেশের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের গত সাত মাসের কার্যকরী পদক্ষেপের মাধ্যমে দুই কোটিরও বেশি শিশুর কাছে টিকা পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশে ইপিআই ও ভিপিডি সার্ভেইল্যান্সের যৌথ স্বাধীন পর্যালোচনা ফলাফল অবহিতকরণ’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
এম এ মুহিত বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মাথায় পূর্ববর্তী ব্যর্থতা ও সংকটের ফলস্বরূপ দেশে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়।
তিনি পরিস্থিতি মোকাবিলায় নেওয়া পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে বলেন, ‘দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গত সাত মাসে মাঠপর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মী ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থাগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দুই কোটির বেশি শিশুকে টিকার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।’
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘হামের প্রাদুর্ভাব এখনো পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, ঝুঁকি এখনও বিদ্যমান। তাই ইপিআই কার্যক্রমে চিহ্নিত সীমাবদ্ধতা ও সংকটগুলো দ্রুত দূর করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ইপিআই কার্যক্রম বিশ্বজুড়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছে এক সময় অত্যন্ত সমাদৃত ও প্রশংসিত একটি মডেল ছিল। বহু বছর ধরে এ কর্মসূচি আমাদের শিশুদের অকাল মৃত্যু ও প্রতিবন্ধিতার হাত থেকে রক্ষা করেছে এবং দুর্গম প্রান্তিক অঞ্চলেও সেবা নিশ্চিত করেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, বিগত সময়ের অব্যবস্থাপনার কারণে এই সফল কার্যক্রমে মারাত্মক ছন্দপতন ঘটেছিল।'
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন