প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্ণীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম খান এবং তাঁর ছেলে চিত্রনায়ক শান্ত খানের লাশ আদালতের নির্দেশে কবর থেকে উত্তোলন করা হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার পর তাঁদের লাশ দাফন করা হয়েছিল। বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে লাশ উত্তোলনের প্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে। এ বিষয়ে ২১ সেপ্টেম্বর সোমবার তথ্য নিশ্চিত করেছেন চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফয়েজ আহমেদ।
ওসি ফয়েজ আহমেদ জানান, "চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর কবর থেকে লাশ উত্তোলনের জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চেয়েছি। অনুমতি পেলে মিডিয়াকে জানাবো কোন তারিখে লাশ উত্তোলন করবো।"
জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর সেলিম খান ও তাঁর ছেলে শান্ত খান বালিয়া ইউনিয়নের ফরক্কাবাদ বাজার এলাকায় জনরোষের মুখে পড়েন। যদিও তাঁরা সেখান থেকে বের হয়ে আসতে সক্ষম হন, পরে বাগড়া বাজার এলাকায় জনতার মুখোমুখি হয়ে গণপিটুনিতে নিহত হন। স্থানীয়রা তাঁদের মরদেহ উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। ওই সময় পরিস্থিতির কারণে তাঁদের লাশ ময়নাতদন্ত ছাড়াই দাফন করা হয়েছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা যায়। সেলিম খান চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০ নম্বর লক্ষ্ণীপুর মডেল ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন এবং তিনি চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান 'শাপলা মিডিয়া'র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তাঁর ছেলে শান্ত খান চলচ্চিত্রে অভিনয় করতেন।
সেলিম খানের বিরুদ্ধে পদ্মা-মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, এলাকায় প্রভাব বিস্তারসহ বিভিন্ন অভিযোগ ছিল। এসব অভিযোগের কারণে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলাও চলমান ছিল বলে জানা যায়। চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি ফয়েজ আহমেদ বলেন, "আদালতের নির্দেশের পর এখন সেলিম খান ও তাঁর ছেলে শান্ত খানের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করে ময়নাতদন্ত করা হবে। মৃত্যুর কারণ ও সংশ্লিষ্ট আইনগত প্রক্রিয়ায় প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহের অংশ হিসেবে এই ময়নাতদন্ত করা হবে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন