প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা, ১৯ অক্টোবর, ২০২৬ : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান সবাইকে আহ্বান জানিয়েছেন, জাতি-ধর্ম-বর্ণের ভেদাভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধভাবে সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে।
মন্ত্রী বলেন, "বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এখানে বিভিন্ন ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষ পাশাপাশি শান্তিতে বসবাস করে।" তিনি উল্লেখ করেন, জাতি, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সকলের উচিত সম্প্রীতি বজায় রেখে দেশকে উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
গতকাল দুর্গাপূজা উপলক্ষে নরসিংদী সদর ও পলাশ উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী পাঁচদোনা শ্রী শ্রী হরি মন্দির ও পলাশ বাজার সর্বজনীন দুর্গামন্দির পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি নিজস্ব তহবিল থেকে বিভিন্ন মন্দিরে অনুদান প্রদান করেন এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীদের মধ্যে শাড়ি বিতরণ করেন।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, "দেবী দুর্গার আগমন ও প্রস্থানের তাৎপর্য আমাদের উপলব্ধি করতে হবে।" তিনি আরও বলেন, দুর্গাপূজার মধ্যে যে শিক্ষা রয়েছে, তা শুধু ধর্মীয় ক্ষেত্রেই নয়, বরং ব্যক্তি ও সামাজিক জীবনেও অনুসরণ করা প্রয়োজন।
ড. আবদুল মঈন খান বলেন, "সাধারণ মানুষের প্রতি অবিচার দূর করে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার চেতনা সবার মধ্যে ধারণ করতে হবে।"
এ সময় তিনি নরসিংদীকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, "বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন দেশে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার পরিস্থিতি তৈরি হলেও এ অঞ্চলের মানুষ সম্প্রীতি বজায় রেখেছেন।" তিনি ভবিষ্যতেও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের এই ধারা অব্যাহত রাখতে সকলের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্য উল্লেখ করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী এমন একটি সম্প্রীতিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চান, যেখানে জাতি, ধর্ম ও বর্ণের ভিত্তিতে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। তিনি বলেন, "সবাই বাংলাদেশি হিসেবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশকে একটি আদর্শ রাষ্ট্রে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করতে হবে।"
পলাশ বাজার সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে বক্তৃতাকালে মন্ত্রী জানান, পলাশের মানুষের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তিনি প্রতিবছরই এ অঞ্চলের পূজামণ্ডপে আসার চেষ্টা করেন।
তিনি বলেন, মন্দির ও সংশ্লিষ্ট এলাকার উন্নয়নে ভবিষ্যতেও সহযোগিতার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। মা দুর্গার আদর্শ অনুসরণ করে পলাশকে একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধ উপজেলায় পরিণত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন