প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় একটি হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুত সময়ে দেশে ফেরত নিয়ে আসা হবে, এ কথা জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বুধবার (১৯ আগস্ট) বলেছেন, কোলকাতার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে নিহত শনাক্ত বাংলাদেশিদের মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনা হবে এবং তারা যদি চাইলে সরকার এই খরচ বহন করবে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে কলকাতার নিউমার্কেটের পাশে মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি হোটেলে আগুন লেগে যায়। এ ঘটনায় নয়জন নিহত হয়েছেন এবং তাদের মধ্যে স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিক রয়েছেন। নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে চারজন একই পরিবারের সদস্য।
নিহত পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে। তাদের মধ্যে চারজন কুষ্টিয়া এবং একজন ঢাকার অধিবাসী। নিহতদের মধ্যে বাংলাদেশের যে পাঁচ নাগরিকের নাম নিশ্চিত করা হয়েছে, তারা হলেন—কুষ্টিয়ার দেবাশিস দত্ত, আফসানা শিম্মিন, শর্ণশিষ দত্ত, মো. আকরাম আলী এবং ঢাকার সাভারের আহমেদ বাবু।
স্থানীয় পুলিশের সূত্রে বুধবার বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানা যায়, অগ্নিকাণ্ডের খবর পাওয়ার পরপরই কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত ও আহতদের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ শুরু করেন।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, মোট নয়জনের মৃত্যু হয়েছে অগ্নিকাণ্ডে, যার মধ্যে পাঁচজন বাংলাদেশি নাগরিকের পরিচয় ইতোমধ্যে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। উপ-হাইকমিশন নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, বাংলাদেশি নাগরিকদের সার্বক্ষণিক সহযোগিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপ-হাইকমিশনের কর্মকর্তারা হাসপাতাল ও স্থানীয় পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন একটি সার্বক্ষণিক হেল্পলাইন চালু করেছে।
ঘটনার সব বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং কলকাতায় বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সংশ্লিষ্ট ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রাখছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন