প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
১৯৬৫ সালের এক শনিবারের দুপুর। বিলেতের বিখ্যাত কেমব্রিজ শহরের একটি পরিচিত গ্রিক রেস্তোরাঁ ‘ভার্সিটি’ ছিল সোনিয়ার পছন্দের জায়গা। আঠারো বছর বয়সী ইতালীয় তরুণী সোনিয়া সেখানে নিজের পছন্দের খাবার খেতে গিয়েছিলেন। নতুন দেশে এসে তার মনটা বেশ খারাপ ছিল। কিন্তু তিনি কখনো ভাবেননি, সেই সাধারণ শনিবারের দুপুরটি তার জীবনকে সম্পূর্ণরূপে বদলে দেবে!
যখন সোনিয়া খাবার খাওয়ার জন্য রেস্তোরাঁর দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই রেস্তোরাঁর ১১ নম্বর টেবিলে বসে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলেন তরুণ রাজীব গান্ধী। সোনিয়া যখন পাশ দিয়ে হেঁটে গেলেন, রাজীবের বন্ধুদের আড্ডা যেন নিমেষেই থেমে গেল। রাজীব তো প্রথম দেখাতেই একেবারে মুগ্ধ হয়ে গেলেন! তিনি কোনো কথা না বলে একটি কাগজের নেপকিন আর কলম তুলে নিয়ে সোনিয়ার জন্য কবিতা লিখতে শুরু করলেন।
এরপর রাজীব রেস্তোরাঁর মালিককে ডেকে পাঠালেন সেরা ওয়াইনের বোতল আনতে। রাজীবের অনুরোধে রেস্তোরাঁর মালিক নিজে গিয়ে সোনিয়ার টেবিলে সেই ওয়াইন এবং কবিতা লেখা নেপকিনটি পৌঁছে দিলেন।
সোনিয়া এবং রাজীব—দুজনেই প্রথম দেখাতেই একে অপরের প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন। সোনিয়া পরে তার এক বইয়ে লিখেছেন, "খুব কাছ থেকে আমাদের চোখ যখন প্রথম মুখোমুখি হলো, আমি নিজের বুকের ধুকপুকানি স্পষ্ট শুনতে পাচ্ছিলাম। আমাদের দুজনের জন্যই সেটা ছিল প্রথম দেখাতেই প্রেম।"
এর পরের দিনগুলো তাদের জন্য বেশ আনন্দময় ছিল। পুরনো একটি গাড়িতে ঘুরে বেড়ানো, নদীতে নৌকা চালানো এবং সিনেমা দেখতে যাওয়া—সব মিলিয়ে দুর্দান্ত এক সময় কাটছিল তাদের।
তবে অবাক করার মতো বিষয় হলো, প্রেমে পড়ার পরও সোনিয়া জানতেন না যে রাজীব ভারতের এত বড় রাজনৈতিক পরিবারের ছেলে! কিছুদিন পর এক বন্ধু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেখালে সোনিয়া প্রথম বুঝতে পারেন, তার মনের মানুষটি আসলে ভারতের সবচেয়ে প্রভাবশালী পরিবারের সন্তান।
সূত্র: নিউজ ১৮
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন