প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হুতি বিদ্রোহীদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত দুই বাংলাদেশির একজন হলেন মো. শাহেদ আহম্মেদ (৩৬)। শাহেদের বাড়ি বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে অবস্থিত। তিনি গত চার বছর ধরে সৌদি আরবে শ্রমিক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সম্প্রতি ছুটি কাটিয়ে সৌদি আরবে ফিরে যাওয়ার পর তিনি এই মর্মান্তিক ঘটনার শিকার হন।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শাহেদ প্রায় এক মাস আগে দুই মাসের ছুটিতে দেশে এসেছিলেন। ছুটি শেষ হওয়ার আগেই কাজের প্রয়োজনে গত ৯ অক্টোবর সৌদি আরবে ফিরে যান তিনি। শনিবার বাংলাদেশ সময় বিকেলে স্ত্রী কোহিনুর আক্তার কাকলীর সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলার পর থেকে তার সঙ্গে পরিবারের আর যোগাযোগ হয়নি। বারবার ফোন করেও সাড়া না পেয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন স্বজনেরা।
এরপর ১১ অক্টোবর সাংবাদিকদের মাধ্যমে শাহেদের মৃত্যুর খবর পরিবারের সদস্যরা জানতে পারেন। খবর পাওয়ার পর শাজাহানপুর উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন।
শাহেদের বাবা রফিকুল ইসলাম এবং মা ছাহেরা বেগম। তার বাবা প্রায় ৪০ বছর ধরে সৌদি আরবে বসবাস করছেন। দুই মাস আগে তার মা-ওমরাহ পালনের জন্য সৌদি আরবে গেছেন। শাহেদের স্ত্রী কাকলী ও তাদের দুই সন্তান বর্তমানে দেশে অবস্থান করছেন।
বগুড়া পৌরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুহুল কুদ্দুস ডিলু বলেন, শাহেদের মৃত্যুর খবর পেয়ে তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পেরেছি, সৌদি আরবে যাওয়ার পর শনিবার বিকেল থেকে শাহেদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
শাজাহানপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাইফুর রহমান বলেন, নিহত শাহেদ আহম্মেদের বাড়ি উপজেলার মাদলা গ্রামে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। স্থানীয় চেয়ারম্যানও তার বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেছেন।
ইউএনও আরো জানান, শাহেদের মরদেহ সরকারি খরচে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মিশন কাজ করছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন