প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতীয় ক্রিকেট দলের আগামী মাসে বাংলাদেশে আসার কথা রয়েছে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে। মূলত ২০২৪ সালের আগস্টে এই সিরিজটি হওয়ার পরিকল্পনা ছিল, তবে দুই বোর্ডের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েনের কারণে এই সিরিজটি দুই দফায় দুই বছর পিছিয়ে যায়। বাংলাদেশে সরকারের প্রশাসনিক পরিবর্তন ও ক্রিকেট বোর্ডে পরিবর্তনের মধ্যে ভারত সিরিজ নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা বিদ্যমান। বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এবার সরকার থেকে সাহায্য চাইলেন এই অনিশ্চয়তা দূর করতে।
গত বৃহস্পতিবার বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল এবং সিকিউরিটি কমিটির চেয়ারম্যান সাঈদ ইব্রাহিম পররাষ্ট্র বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে একটি সাক্ষাৎ করেন তার কার্যালয়ে। তামিম এই বৈঠকের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ক্রিকবাজের কাছে। কিন্তু বৈঠকে ঠিক কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিসিবি বস বিস্তারিত কিছু জানাননি।
জানা গেছে, ভারতীয় পক্ষ থেকে সিরিজ সংক্রান্ত বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত এবং আনুষ্ঠানিক কোনো নিশ্চয়তা না পাওয়ায় সরকারী পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগের অনুরোধ জানানো হয়েছে বিসিবি থেকে।
এর আগে ২৯ জুলাই একটি বক্তব্যে বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল সিরিজটি নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন, তবে তাঁর আশঙ্কার বিষয়টি তিনি স্পষ্টভাবেই জানিয়েছেন। তাঁর মতে, এই বিষয়ে এককভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে তার এখতিয়ার নেই। এছাড়া এই বিষয়ে কিছু বিষয় সরকারের তরফ থেকে তদারকি করা প্রয়োজন।
মূলত ২০২৪ সালে এই সিরিজটির আয়োজন হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে তা স্থগিত করা হয়। পরবর্তী সময়ে ২০২৫ সালে সিরিজটির আয়োজনও অনিশ্চিত থেকে যায়। কিন্তু সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ধারাবাহিকতায় সিরিজটি মাঠে গড়ানো নিয়ে নতুন করে আশার সঞ্চার হয়েছে।
সম্প্রতি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সেপ্টেম্বর মাসে অনুষ্ঠিতব্য ১৮তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অতিথি হিসেবে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। ক্রিকেট ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সংশ্লিষ্টরা এই পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন।
এছাড়া, ২৯ জুলাই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ভারতে নিযুক্ত নতুন হাইকমিশনারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে জানান, ঢাকা এবং নতুন দিল্লি পারস্পরিক স্বার্থ এবং সমতার ভিত্তিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নে একমত হয়েছে। কূটনৈতিক সম্পর্কের এই ইতিবাচক পরিবর্তনের সময়েই ক্রিকেট বোর্ড সরকারের সঙ্গে বৈঠক করেছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণের বিষয়টি বর্তমানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং দ্রুত এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত জানানো হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন