প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এনসিপির এক নেতার ওপর হামলার ঘটনা ঘটার পর ‘আর কোনো কর্মীর ওপর হামলা হলে থানার ইট খুলে নেওয়ার’ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জেলা কমিটির আহ্বায়ক যুবাইর সরদার। হামলার পর ১৭ সেকেন্ডের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন এনসিপির নেতাকর্মীরা।
ভিডিওতে যুবাইর সরদারকে বলতে শোনা যায়, ‘আমি যুবাইর সরদার, নারায়ণগঞ্জ এনসিপির আহ্বায়ক। যদি আমার একটা কর্মীর গায়ে হাত তোলে, লাশের বদলে লাশ নেব। যদি আমার একজন নেতাকর্মীর গায়ের রক্ত পড়ে আরেকবার, থানার ইট পর্যন্ত খুলে নেব।’
ফতুল্লা থানার ওসি মোহাম্মদ মাহবুব আলম এই বিষয়ে মন্তব্য করে বলেন, ‘এ ধরনের বক্তব্য কেউ দিয়েছে কিনা আমি তা শুনিনি। তখন আমি ভেতরে ছিলাম। কিন্তু এমন বক্তব্য কেউ দিয়ে থাকলে তা ভালো চর্চা নয়। তারা দায়িত্বশীল পদে অবস্থান করে এভাবে থানার ভেতর বক্তব্য রাখতে পারেন না। এই ধরনের বক্তব্যের কারণে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে যদি কোনো ব্যত্যয় ঘটে তাহলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেবেন।’
এদিকে এনসিপি নেতা যুবাইর সরদার জানান, এনসিপির জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলামের ওপর হামলার পর নেতাকর্মীরা খুবই উত্তেজিত ছিলেন। তাদের শান্ত করা সম্ভব হচ্ছিল না। তখন পুলিশ নেতাকর্মীদের শান্ত করার জন্য কিছু বলার চেষ্টা করেছিল। পরে তিনি নেতাকর্মীদের শান্ত করার জন্য ওই বক্তব্য দেন। এর ফলে নেতাকর্মীরা শান্ত হন।
গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে ফতুল্লা থানাধীন বক্তাবলী বাজার এলাকায় হামলার শিকার হন এনসিপির জেলা কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম।
এনসিপি নেতাদের অভিযোগ, ধলেশ্বরী নদীর তীরে অবৈধভাবে মাটি কাটা নিয়ে বক্তব্য রাখার কারণে বক্তাবলী ইউনিয়ন বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক হালিম আজাদের নির্দেশে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এ হামলা চালান। হামলার পর এনসিপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ফতুল্লা মডেল থানার ভেতরে অবস্থান নেন। থানার সামনে মিছিল করেন এবং বিএনপির লোকজনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। রাতে থানায় যান এনসিপির স্থানীয় সংসদ সদস্য (নারায়ণগঞ্জ-৪) আব্দুল্লাহ আল আমিনও।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন