প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আফগানিস্তান একটি ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজ সহজেই সম্পন্ন করেছে। দুই দিন আগে বাংলাদেশ যে ভাবে পরাজিত হয়েছিল, প্রায় একইভাবে এবার হারতে হলো জিম্বাবুয়েকে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) শারজায় অনুষ্ঠিত সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে ১৬৯ রানে অলআউট করে আফগানিস্তান সহজ রান তাড়ায় ৩ উইকেট হারিয়েই লক্ষ্যে পৌঁছেছে।
ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে বাংলাদেশকে ১৬০ রানে আটকে আফগানরা ৭ উইকেটে জয়লাভ করেছিল। সেদিন তাওহিদ হৃদয়দের বিপক্ষে রান তাড়া করতে ৩৫.৩ বল লেগেছিল, আজ সিকান্দার রাজাদের বিরুদ্ধে ৩৪.৩ ওভার লাগল। এর আগে, সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে আফগানিস্তানের দেওয়া ২৯৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে জিম্বাবুয়ে ১৩৬ রানেই অলআউট হয়ে যায়।
১৭০ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে টুর্নামেন্টে আজ নিজের দ্বিতীয় ফিফটি হাঁকিয়েছেন ইব্রাহিম জাদরান। অধিনায়ক রহমত শাহের সঙ্গে তার ৮২ রানের জুটি দলকে জয়ের বন্দরের কাছাকাছি নিয়ে যায়। হাসমতউল্লাহ শহীদি ৩৫তম ওভারে জয়সূচক বাউন্ডারি হাঁকানোর সময় ইব্রাহিম জাদরান ৭০ রানে অপরাজিত ছিলেন।
জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং ইনিংসে বল এবং ফিল্ডিংয়ে আফগানিস্তান শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণ বজায় রেখেছিল। ফলে তাদের রান তাড়ার কাজটি সহজ হয়ে যায়।
৪১ রানে ৩ উইকেট শিকার করে আফগানিস্তানের সেরা বোলার ছিলেন রশিদ খান। এর মাধ্যমে তিনি ওয়ানডে ক্রিকেটে টানা ছয় ইনিংসে কমপক্ষে তিনটি করে উইকেট শিকারের বিরল রেকর্ডে দ্বিতীয় বোলার হিসেবে নাম লেখালেন। এর আগে আফগানিস্তানের পেস ত্রয়ী এবং অভিজ্ঞ অফস্পিনার মোহাম্মদ নবী জিম্বাবুয়ের প্রথম ছয় উইকেট তুলে নিয়ে তাদের জন্য জীবন দুর্বিষহ করে তোলেন।
বাঁহাতি পেসার ফজলহক ফারুকী, অফস্পিনার নবী এবং পেসার বিলাল সামি দুটি করে উইকেট নেন। আর ওয়ানডের ১ নম্বর অলরাউন্ডার আজমতউল্লাহ ওমরজাই একটি উইকেট লাভ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন