প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ ব্যাংক দেশে প্রাথমিকভাবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন প্রদান করেছে। এ ব্যাংকগুলোর জন্য লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সভাটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান।
অনুমোদন পাওয়া ডিজিটাল ব্যাংকগুলো হলো— বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক, বুস্ট-রবি ডিজিটাল ব্যাংক, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা যায়, ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার জন্য মোট ১২টি প্রতিষ্ঠান আবেদন করেছিল। এসব আবেদনের মধ্যে থেকে প্রাথমিকভাবে চারটি প্রতিষ্ঠানকে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
আবেদনকারী ১২টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রয়েছে— ব্রিটিশ বাংলা ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে, আমার ডিজিটাল ব্যাংক-২২ এমএফআই, ৩৬ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, বুস্ট-রবি, আমার ব্যাংক, অ্যাপ ব্যাংক-ফার্মারস, নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার, মৈত্রী ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি, উপকারী ডিজিটাল ব্যাংক, মুনাফা ইসলামী ডিজিটাল ব্যাংক-আকিজ এবং বিকাশ ডিজিটাল ব্যাংক।
ডিজিটাল ব্যাংকের মাধ্যমে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক সেবা প্রদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা শাখাভিত্তিক প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের বাইরে। এর আওতায় গ্রাহকের হিসাব খোলা, লেনদেনসহ বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা ডিজিটাল মাধ্যমে প্রদান করা হবে।
এর আগে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক পিএলসি নামে দুটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে পরবর্তী সময়ে সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক উক্ত দুটি প্রতিষ্ঠানের ডিজিটাল ব্যাংক লাইসেন্স স্থগিত করে।
নতুন করে চারটি প্রতিষ্ঠানকে এলওআই দেওয়ার সিদ্ধান্তের মাধ্যমে দেশে ডিজিটাল ব্যাংকিং কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া আবার শুরু হলো।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন