প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুদ্ধ চলতে থাকলে সৌদি আরবের অর্থনীতির জন্য গুরুতর সংকট সৃষ্টি হতে পারে এবং দেশটির তেল রপ্তানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন সতর্কতা দিয়েছেন ইরানের বিশ্লেষক ও তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাইয়্যেদ মোহাম্মদ আলী মারান্দি। তিনি উল্লেখ করেছেন যে, সৌদি আরবের অর্থনীতি মূলত তেলের ওপর নির্ভরশীল। ইয়েমেনের সঙ্গে সংঘাত বৃদ্ধি পেলে দেশটি বড় ধরনের অর্থনৈতিক এবং অভ্যন্তরীণ সংকটের সম্মুখীন হতে পারে।
সম্প্রতি আল মায়াদিনের ‘দ্য গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডঅফ : ইরান অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড’ অনুষ্ঠানে তিনি এসব মন্তব্য করেছেন। মারান্দি বলেন, সৌদি আরব ইতোমধ্যে অনেক কিছু হারিয়েছে এবং যদি যুদ্ধ অব্যাহত থাকে, তাহলে দেশটি সবকিছু হারানোর ঝুঁকিতে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবের অর্থনীতি বহুমুখী নয়, বরং এটি প্রায় সম্পূর্ণরূপে তেলের ওপর নির্ভরশীল। ইয়েমেনের আনসারুল্লাহর সামনে হামলার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য রয়েছে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, ইয়েমেন সৌদি আরবে হামলার তীব্রতা বাড়াতে পারে। তাঁর মতে, ইয়েমেন হামলা চালানোর সময় হিসাব-নিকাশ করে কাজ করছে। এ বিষয়ে অবগত ব্যক্তিরা তাঁকে জানিয়েছেন যে, দেশটি আরও শক্তিশালী হামলা চালানোর সক্ষমতা রাখে।
তবে মারান্দির দাবি, ইয়েমেন সৌদি আরবকে ধ্বংস করতে চায় না। বরং তাদের লক্ষ্য হলো সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে বোঝানো, যাতে তিনি যুদ্ধ বন্ধের জন্য উদ্যোগী হন। কিন্তু যদি সৌদি আরব হামলার মাত্রা বাড়ায়, তাহলে ইয়েমেনও পাল্টা হামলা জোরদার করবে। এতে সৌদি আরবের তেল রপ্তানি সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এমন সতর্কতা দেন তিনি।
মারান্দি আরও বলেন, এমন পরিস্থিতিতে সৌদি শাসকগোষ্ঠী দেশের অভ্যন্তরে বিভিন্ন সমস্যার মুখোমুখি হবে। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে সৌদি আরবের সম্পদ, বন্ড ও শেয়ারবাজারে বিনিয়োগের অর্থ নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হতে পারে বলেও মন্তব্য করেন।
তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের বন্ডবাজার নিয়ে সৌদি আরবের নিজেদেরও গুরুতর অর্থনৈতিক সমস্যা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরব ও কাতারের শাসকদের যুক্তরাষ্ট্রে থাকা অর্থ তুলে নেওয়ার সুযোগ দেবেন কিনা, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মারান্দি। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র সহজে তাঁদের অর্থ তুলে নিতে দেবে না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন