প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ২৩ শিক্ষক, নানা জটিলতা ও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) আপত্তি অতিক্রম করে। ২৪ জন শিক্ষক পদোন্নতির জন্য আবেদন করেছিলেন।
রোববার, পদোন্নতি পাওয়া ২৩ শিক্ষক অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। অপর শিক্ষক ড. আবদুল কাইউমের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে পরে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, অধ্যাপক পদে পদোন্নতির কার্যক্রম ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু হয়। ইউজিসির আপত্তির কারণে পদোন্নতি প্রক্রিয়া আটকে যায়। দীর্ঘ যাচাই-বাছাই ও বিভিন্ন প্রক্রিয়ার পর ২৪ শিক্ষকের মধ্যে ২৩ জনকে পদোন্নতি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের ড. প্রবীর কুমার ভৌমিক, মৃত্তিকা ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. জামাল উদ্দীন, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের ড. মো. সাদেকুর রহমান ও ড. তারেক মাহমুদ আবীর, লোক প্রশাসন বিভাগের ড. ইসরাত জাহান, কোস্টাল স্টাডিজ অ্যান্ড ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ড. হাফিজ আশরাফুল হক এবং উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের ড. সুব্রত কুমার দাস।
এছাড়া, ইতিহাস বিভাগের ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, ভূতত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের ড. ধীমান কুমার রায় এবং কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের ড. রাহাত হোসাইন ফয়সালও পদোন্নতি পেয়েছেন।
রসায়ন বিভাগের চার শিক্ষক ড. গাজী জহিরুল ইসলাম, ড. হালিমা বেগম, ড. মো. নাজমুল কায়েস ও ড. মো. মাসুদ পারভেজ এবং গণিত বিভাগের চার শিক্ষক ড. মো. শফিউল আলম, ড. মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, ড. বিজন কৃষ্ণ সাহা ও ড. হেনা রানী বিশ্বাসও পদোন্নতি লাভ করেছেন।
অন্যদিকে, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের পাঁচ শিক্ষক ড. আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, ড. মো. সাখাওয়াত হোসেন, ড. আজিজুর রহমান, ড. সোহেল চৌধুরী ও ড. মো. আলমগীর মোল্লা অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।
পদোন্নতি পাওয়া একাধিক শিক্ষক জানান, রোববার ২৩ শিক্ষক অধ্যাপক পদে যোগদান করেন। এ সময় পদোন্নতিপ্রত্যাশী ড. আবদুল কাইউমকে দেখা যায়নি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তত তিনজন সিন্ডিকেট সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান এবং তৎকালীন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ড. আবদুল কাইউমকে এবার পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। তার বিষয়ে পরবর্তী সময়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
তবে, ড. আবদুল কাইউমের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জানতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. আবদুল আলিম বছিরকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন