প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্তের জন্য টাস্কফোর্স নিয়ে আজ মঙ্গলবার আদেশ দেওয়ার দিন ধার্য করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী এবং বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিট মামলাটি কার্যতালিকার প্রথম স্থানে রয়েছে।
এই হত্যা মামলায় বাদীপক্ষে উপস্থিত থাকবেন সিনিয়র আইনজীবী শিশির মনির। অপরদিকে, রিটকারীর পক্ষে আইনজীবী মনজিল মোরসেদ দায়িত্ব পালন করবেন।
এর আগে ২০২৪ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তদন্ত থেকে র্যাবকে সরিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি উচ্চ পর্যায়ের টাস্কফোর্স গঠনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল হাইকোর্টের পক্ষ থেকে। পাশাপাশি, ২০২৫ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে একটি প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশও দেওয়া হয়েছিল। এরপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় টাস্কফোর্স গঠন করে।
তবে ৬ এপ্রিল উচ্চ আদালতে অবকাশকালীন ছুটি থাকায় এ বিষয়ে কোনো অগ্রগতি হয়নি। পরবর্তীতে ২২ এপ্রিল, ২৩ অক্টোবর এবং চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনে তিন দফায় আরো ছয় মাস সময় বৃদ্ধি করা হয়। এই ধারাবাহিকতায় রিট আবেদনটি আবার কার্যতালিকায় উঠেছে।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকার পশ্চিম রাজাবাজারে সাংবাদিক দম্পতি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সারওয়ার এবং এটিএন বাংলার সিনিয়র প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি তাদের ভাড়া বাসায় নির্মমভাবে খুন হন। পরদিন ভোরে তাদের ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করা হয়।
ওই বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি রুনির ভাই নওশের আলী রোমান শেরেবাংলানগর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। প্রথমে মামলাটির তদন্ত করেন শেরেবাংলানগর থানার একজন কর্মকর্তা।
১৬ ফেব্রুয়ারি মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তরের পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল আলমের ওপর ন্যস্ত হয়। দুই মাস পর হাইকোর্টের আদেশে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নকে (র্যাব) দেওয়া হয়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারেনি সংস্থাটি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন