প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, আবাসন সংকট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দুরবস্থা এবং কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তা নিয়ে ইউরোপজুড়ে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ছে। ফ্রান্সে শুরু হওয়া এই আন্দোলনে অন্তত আটটি দেশের তরুণেরা যোগ দিয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে স্পেন, পর্তুগাল, ইতালি, বেলজিয়াম, আলবেনিয়া ও গ্রিস। ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবং হতাশা থেকে তাঁরা রাস্তায় নেমে এসেছেন।
ফ্রান্সে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের শুরুটা স্কুলের দুরবস্থা, শিক্ষকসংকট, অতিরিক্ত শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ না থাকার প্রতিবাদে হয়েছে। পরে এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মূল্যস্ফীতি, নিম্ন মজুরি, জ্বালানির উচ্চমূল্য এবং সরকারি সেবার অবনতির বিরুদ্ধে বৃহত্তর বিক্ষোভ। ইতালি ও বেলজিয়ামেও শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
স্পেন এবং পর্তুগালে তরুণদের প্রধান উদ্বেগ হচ্ছে আবাসন ব্যয়। বাড়িভাড়া এবং বাড়ির দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে অনেকের জন্য নিজস্ব বাসস্থান গড়ে তোলা কঠিন হয়ে পড়েছে। পর্তুগালের রাজধানী লিসবনসহ বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভকারীরা সাশ্রয়ী আবাসন এবং ন্যায্য মজুরির দাবিতে তাঁবু খাটিয়ে অবস্থান করছেন।
তরুণদের আশঙ্কা, উচ্চ জীবনযাত্রার ব্যয়, সীমিত কর্মসংস্থান এবং শিক্ষা ও সামাজিক সেবায় চাপের কারণে তাদের সামনে ভালো ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ সংকুচিত হচ্ছে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের বিক্ষোভের দাবি ও পরিস্থিতি এক না হলেও, ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা আন্দোলনগুলোর একটি সাধারণ বৈশিষ্ট্য হয়ে উঠেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন