প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইতালিয়ান ফুটবলে একটি ঐতিহাসিক পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে এসি মিলান ও ইন্টার মিলান। নতুন স্টেডিয়ামের নাম ‘জেনেরালি স্টেডিয়াম’ রাখা হয়েছে, যা দুই ক্লাবের যৌথ ব্যবহারের জন্য নির্মিত হতে যাচ্ছে। এর ফলে কিংবদন্তি সান সিরোর সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিন্ন করে নতুন যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে মিলানের দুই জায়ান্ট।
ইতালির ক্রীড়া দৈনিক লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্তের তথ্য অনুযায়ী, ২৯ অক্টোবর মিলানের কাস্তেল্লো স্ফোরজেস্কোতে একটি অনুষ্ঠানে নতুন স্টেডিয়ামের নাম ঘোষণা করা হয়। স্টেডিয়ামটিতে একসঙ্গে ৭১ হাজার ৫০০ দর্শক খেলা উপভোগ করতে পারবেন। নকশা হবে ডিম্বাকৃতি ও বাটির মতো, যেখানে থাকবে দুটি স্তরের গ্যালারি। মাঠের কাছাকাছি দর্শকদের নিয়ে আসা নকশার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য।
নতুন স্টেডিয়ামের অন্যতম আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে দুই গোলপোস্টের পেছনের গ্যালারি। এই অংশের ঢাল প্রায় ৩৭ ডিগ্রি হবে, যা জার্মান ক্লাব বরুশিয়া ডর্টমুন্ডের বিখ্যাত ‘ইয়েলো ওয়াল’-এর আদলে তৈরি করা হবে। খাড়া গ্যালারির কারণে দর্শকদের মাঠের আরও কাছে থাকার অনুভূতি সৃষ্টি হবে এবং ম্যাচের সময় আরও তীব্র পরিবেশ তৈরি হবে বলে মনে করা হচ্ছে।
স্টেডিয়ামের নকশার দায়িত্বে রয়েছে ফস্টার + পার্টনার্স ও ম্যানিকা। শুধু ফুটবল মাঠ নয়, পুরো এলাকা আধুনিক বিনোদনকেন্দ্রে রূপ দেওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে। স্টেডিয়ামের আশপাশে বাণিজ্যিক স্থাপনা, রেস্তোরাঁ ও বিনোদনের বিভিন্ন ব্যবস্থা থাকবে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০২৭ সালে নির্মাণকাজ শুরু হতে পারে এবং ২০৩১-৩২ মৌসুমে নতুন স্টেডিয়ামটি চালু করার লক্ষ্য রয়েছে। ইউরো ২০৩২-এর আগেই কাজ শেষ করার লক্ষ্যও রয়েছে মিলান ও ইন্টারের। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক জিউসেপ্পে মেয়াজ্জা স্টেডিয়ামের আংশিক ধ্বংসের পরিকল্পনা রয়েছে। ফলে ইতালিয়ান ফুটবলের অন্যতম ঐতিহাসিক ভেন্যু সান সিরোর পরিচিত অধ্যায় ধীরে ধীরে শেষের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন