প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বাংলাদেশ ১৩১ রানে অলআউট হয়ে যায়। শুরুতে ব্যাটিং ব্যর্থতার পরে শেখ মেহেদীর ২২ বলে ২৯ রানের ইনিংসে ভয় করে মামুলি সংগ্রহ দাঁড় করাতে সক্ষম হয় টাইগাররা।
বুধবার চট্টগ্রামে যখন বাংলাদেশ ব্যাটিংয়ে নামে, তখন দুটি অঙ্ক ছোঁয়ার আগেই ওপেনার তানজিদ হাসান সাজঘরের পথে ফিরে যান। বাংলাদেশের ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই শুরুর জুটি ভেঙে দেন স্পেন্সার জনসন। অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি খেলতে গিয়ে টাইমিং করতে ব্যর্থ হয়ে টাইমিংয়ের অভাবজনিত কারণে ক্যাচ তুলে দেন জেভিয়ার বার্টলেটের হাতে। ফলে ৯ বলে তিনি ১০ রানে থেমে যান।
তাঁর বিদায়ের মাধ্যমে ১৭ বলে ২৬ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙা যায়। এরপর কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং শুরু করেন সাইফ হাসান। তবে পাওয়ার প্লের মধ্যেই সাজঘরের পথ ধরেন তিনি। অফ স্পিনার ম্যাট রেনশের বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ১৪ বলে ২০ রান করা সাইফ মিড অফে ক্যাচ দেন।
এক প্রান্তে উইকেট পড়লেও অন্য প্রান্তে আগ্রাসীভাবে শুরু করেন ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। উইকেটে এসে তিনি ছক্কা হাঁকিয়ে ইনিংস শুরু করেন, তবে তাঁর ইনিংসও বেশিদিন স্থায়ী হয়নি। অ্যাডাম জাম্পার গুগলি বুঝতে পারলে তিনি বোল্ড হয়ে ফিরে যান। ৫ বলে ৮ রান করেন এই ব্যাটার।
হৃদয়ের বিদায়ের পরে সৌম্য সরকারের সঙ্গে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন পারভেজ হোসেন। কিন্তু সাত ওভারের শেষে দলের রান যখন তিন উইকেটে ৫৭, তখন আবারও বাংলাদেশ বড় ধাক্কা খায়। সৌম্য সরকার আক্রমণাত্মক শট খেলতে গিয়ে বিদায় নেন। লেগ স্পিনার জাম্পার বলে তাঁর শটটি ডিপ কাভারে দৌড়ে এসে তালুবন্দি করেন নিখিল চৌধুরি। ১৮ বলে তিনি ১৭ রান করেন।
নবম ওভারে বাংলাদেশের রান চার উইকেটে ৬৮ দাঁড়ায়। এরপর উইকেটে আসেন অভিষিক্ত অলরাউন্ডার আব্দুল গাফফার সাইকলাইন। ইনিংসের মাঝপথে আঘাত হানের বাঁহাতি স্পিনার জোয়েল ডেভিস। নিজের দ্বিতীয় বলেই উইকেট তুলে নিয়ে পারভেজ হোসেনকে স্লগ সুইপ করতে গিয়ে ধরা পড়ান। ১২ বলে ১০ রান করে তিনি ফিরে যান।
অভিষেকে আলো ছড়াতে পারেননি আবদুল গাফফার সাকলাইন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ১০ বলে ১০ রান। এছাড়া, ব্যাট হাতে ব্যর্থ শামীম হোসেন পাটোয়ারী ৪ বলে ১ রান করেন।
একেবারে শেষ উইকেট জুটিতে জ্বলে ওঠেন শেখ মেহেদী হাসান। উইকেটের চারপাশে দারুণ সব শটে রান বের করেছেন তিনি। খেলেছেন অসাধারণ সব রিভার্স সুইপ, সুইপ। এতে করে দলের বোর্ডে রান বেড়েছে। শেষের আগের ওভারে মুস্তাফিজুর রহমান আউট হয়ে যাওয়ার পর ১৯ ওভারে ১৩১ রান তুলে বাংলাদেশ অলআউট হয়। ২২ বলে ২৯ রান করে তিনি শেষ পর্যন্ত টিকে ছিলেন।
অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ৩টি করে উইকেট দখল করেন জোয়েল ডেভিস ও অ্যাডাম জাম্পা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন