প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চট্টগ্রামের রাউজানে অভিযান পরিচালনা করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও রাউজান থানা পুলিশ শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের তিন সহযোগীকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরের দিকে উপজেলার কদলপুর এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুটি সীসা কার্তুজ, একটি রামদা ও একটি ছোরা।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে মো. শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ (৩০) ও মো. জাফর (৩৮) বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং বালু উত্তোলন থেকে প্রাপ্ত অর্থ রায়হানের কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
অন্যদিকে, অপর আসামি মো. সাফায়েত হোসেন সিফাত (১৯) শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি কিশোর গ্যাং নিয়ে এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা এবং রায়হানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, রাউজান থানার কদলপুর ইউনিয়নের মীর বাগিচা মুনিরিয়া যুব তাবলীগ নির্মাণাধীন মাদ্রাসার সামনে একদল ব্যক্তি ডাকাতির উদ্দেশ্যে সমবেত হয়েছে। এই তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ও রাউজান থানা পুলিশ সেখানে অভিযান চালায় এবং তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মো. মাসুদ আলম বলেন, শাহাদাত হোসেন সাজ্জাদ ও মো. জাফর রায়হানের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে তার নির্দেশনায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন। তারা রায়হানের নির্দেশে বিভিন্ন ব্যক্তি ও ব্যবসায়ীর কাছ থেকে চাঁদা আদায়, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং বালু উত্তোলন থেকে প্রাপ্ত অর্থ রায়হানের কাছে পৌঁছে দিতেন।
এছাড়া, তারা এলাকায় রায়হানের প্রভাব বিস্তার ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তার সিফাত সন্ত্রাসী রায়হানের নিয়ন্ত্রণাধীন একটি কিশোর গ্যাংয়ের নেতৃত্ব দিয়ে সহযোগীদের নিয়ে রাউজানে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করতেন। শীর্ষ সন্ত্রাসী রায়হানের নির্দেশনা ও আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এই কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যরা এলাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন, বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা এবং রায়হানের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতেন।
পুলিশ সুপার জানান, রায়হানের সহযোগী হিসেবে কাজ করা অন্যান্য ব্যক্তিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার লক্ষ্যে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ঘটনায় রাউজান থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন