প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
> বিশ্ব
> এশিয়া
জাপান গত এক মাসে রেকর্ড ১৫.৪ ট্রিলিয়ন ইয়েন ব্যয় করেছে, যা প্রায় ৯৬ বিলিয়ন ডলার। এই ব্যয়ের কারণ ইয়েনের দ্রুত দরপতন ঠেকানো। শুক্রবার সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। আনাদোলু এজেন্সির মাধ্যমে জানা যায়।
জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয় জানায়, ৩০ জুলাই থেকে ২৬ আগস্ট পর্যন্ত বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপের পরিমাণ ছিল ১৫.৩৯৯৩ ট্রিলিয়ন ইয়েন। কিয়োদো নিউজের তথ্য অনুযায়ী, এই ব্যয় চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে তিন দফা বাজারে হস্তক্ষেপের সময় ব্যয় করা আগের মাসিক রেকর্ড ৭৩.৪ বিলিয়ন ডলারকেও ছাড়িয়ে গেছে।
এছাড়া, সর্বশেষ হস্তক্ষেপে জাপানি কর্তৃপক্ষ ৬৮.৯ বিলিয়ন থেকে ৭৫.২ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে বাজারের পূর্বাভাস ছিল, যা নতুন পরিসংখ্যান দ্বারা অতিক্রম করা হয়েছে। ২৩ জুলাই ডলারের দাম বেড়ে ১৬৩.৯৯ ইয়েনে পৌঁছায়, যা প্রায় চার দশকের মধ্যে জাপানি মুদ্রার বিপরীতে ডলারের সর্বোচ্চ দর ছিল। এরপর ৩০ জুলাই জাপানি কর্তৃপক্ষ বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ শুরু করে।
৩১ জুলাই নিউইয়র্কের লেনদেন চলাকালে জাপান ও যুক্তরাষ্ট্র সমন্বিতভাবে মুদ্রাবাজারে হস্তক্ষেপ করে। এটি ছিল ১৫ বছরের মধ্যে দুই দেশের প্রথম যৌথ হস্তক্ষেপ।
ডিজিটালম্যাপ দেখুন
সমন্বিত পদক্ষেপের ফলস্বরূপ, ডলারের দর সাময়িকভাবে ১৫৫ ইয়েনের নিচে নেমে আসে। তবে পরবর্তীতে ডলার আবার শক্তিশালী হয়ে বর্তমানে প্রায় ১৫৯ ইয়েনে লেনদেন হচ্ছে।
জাপানের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে ইয়েনের ওপর টানা বিক্রির চাপ অব্যাহত রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সরকার বিস্তারিত অর্থায়ন পরিকল্পনা ছাড়াই সম্প্রসারণমূলক ব্যয়নীতি অনুসরণ করায় দেশটির আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বৃদ্ধি পেয়েছে।
এছাড়া, ইরান যুদ্ধকে ঘিরে অনিশ্চয়তার কারণে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে ডলারের চাহিদা বেড়ে যাওয়াও ইয়েনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছে।
ইয়েনের দরপতনের ফলে জাপানে আমদানি করা জ্বালানি, খাদ্য ও কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে দেশটির পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওপর মূল্যস্ফীতির চাপ আরও বাড়ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন