প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সালিশি বৈঠকে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত হয়েছেন জাহাঙ্গীর আলম (৫০) নামে এক শ্রমিক দলের নেতা। এই দুর্ঘটনা ঘটে সোমবার বিকাল ছয়টার দিকে সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের সুলতানপুর উত্তরপাড়ায়।
নিহত জাহাঙ্গীর আলম ওই এলাকার মৃত মোহাম্মদ আলীর ছেলে। তিনি ইউনিয়ন বিএনপির শ্রমিক দলের সহসভাপতি পদপ্রার্থী ছিলেন।
স্থানীয় মানুষজন, নিহতের পরিবার এবং পুলিশ সূত্রে জানা গেছে যে, জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির সঙ্গে প্রায় পাঁচ বছর আগে একই এলাকার সাচ্চু মিয়ার ছেলে মো. আতাউল্লাহর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিভিন্ন বিষয়ে দাম্পত্য কলহ লেগে থাকত। সোমবার বিকালে জাহাঙ্গীর আলমের ভাতিজির দাম্পত্য কলহের বিষয়ে এলাকার সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের সময় জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে আতাউল্লাহর পরিবারের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে থাকে এবং কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঘটে হাতাহাতির ঘটনা। এর পর আতাউল্লাহর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়ের বাড়ির পক্ষের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। এই হামলায় ৫-৬ জন আহত হয়।
স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জাহাঙ্গীর আলমকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়েই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. রকিব উর রেজা বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছে। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের আইনের আওতায় আনার প্রচেষ্টা চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন