প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লি উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত ‘লং মার্চ টু পার্লামেন্ট’ কর্মসূচির কারণে। সোমবার (২০ জুলাই) হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ বিক্ষোভে অংশ নিতে গিয়ে নিষেধাজ্ঞা ও নিরাপত্তা ব্যারিকেড অতিক্রম করতে গেলে পুলিশকে লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করতে হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে।
আন্দোলনের মূল কারণ হলো মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষায় ‘নিট’-এ অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি। সকালে সেন্ট্রাল দিল্লির যন্তর মন্তরে হাজার হাজার তরুণ আন্দোলনকারী জড়ো হতে শুরু করেন। তারা মিছিল নিয়ে পার্লামেন্টের দিকে এগোতে চাইলে, নিরাপত্তা ব্যারিকেড ভেঙে ফেলার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়। এতে বেশ কয়েকজন আন্দোলনকারী ও পুলিশ সদস্য আহত হন।
পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য মধ্য দিল্লির বেশ কিছু এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেয়। পরিস্থিতি বেশি উত্তপ্ত হলে ককরোচ জনতা পার্টির পক্ষ থেকে একটি জরুরি বার্তায় সমর্থকদের শান্ত ও অহিংস থাকার জন্য অনুরোধ জানানো হয়। তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, আপনাদের যদি বিভিন্ন পয়েন্টে আটকে দেওয়া হয়, তবুও শান্ত থাকুন এবং শান্তি বজায় রাখুন। কারণ আমরা কেবল শান্তি ও ভালোবাসার পথেই জয়ী হতে পারবো।
এর আগে রোববার (১৯ জুলাই) দিল্লি পুলিশ এই পদযাত্রার অনুমতি বাতিল করে এবং পুরো এলাকায় পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির জমায়েতের ওপর ১৪৪ ধারা জারি করে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি বার্তা প্রকাশ করা হয়। সেখানে জানানো হয়, অনুমোদিত যন্তর মন্তর এলাকা ছাড়া কোথাও মিছিল, শোভাযাত্রা বা বিক্ষোভ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্দেশ অমান্য করলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিল্লি পুলিশ দেশের সব নাগরিককে আইন মেনে চলতে ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতার আহ্বান জানায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন