প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পাওনা টাকা আদায় করতে গিয়ে এক অটোরিকশাচালককে তুলে নিয়ে দুই দিন শিকলে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। পরবর্তীতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করা হয়।
শনিবার (২৭ জুন) বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়ি থেকে ভুক্তভোগী অটোরিকশাচালক মো. রিপনকে উদ্ধার করা হয়েছে। রিপন ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি সুবর্ণচর উপজেলার চরমজিদ ভূঁইয়ারহাট এলাকায় বসবাস করছেন। অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম আবুল কাশেম, যিনি কেদা কাশেম নামেও পরিচিত এবং একই এলাকার বাসিন্দা।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে আরও জানা যায়, প্রায় দুই বছর আগে রিপন এবং কাশেম যৌথভাবে ছাগলের ব্যবসা করতেন। একসময় কাশেমের কাছে রিপনের প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা পাওনা বকেয়া পড়ে। বর্তমানে রিপন নোয়াখালী সদর উপজেলায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা চালান। অভিযোগ রয়েছে, এক বছর ধরে কাশেম পাওনা টাকা পরিশোধ না করায় রিপনকে সদর উপজেলা থেকে তুলে নিয়ে সুবর্ণচরের ভূঁইয়ারহাট এলাকার একটি বাড়িতে আটক করে। সেখানে তার পায়ে শিকল বেঁধে দুই দিন ধরে নির্যাতন চালানো হয় এবং তাকে অর্ধাহারে-অনাহারে রাখা হয় বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী।
ভুক্তভোগীর স্বজনরা দাবি জানিয়েছেন যে, রিপনকে খুঁজতে গিয়ে স্থানীয় আরও দুই যুবকও অভিযুক্তদের হাতে আটক হন। পরে প্রশাসন, পুলিশ ও স্থানীয় ছাত্রদল নেতাদের সহযোগিতায় তাদেরও উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ভিন্নধর্মী চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত আবুল কাশেমের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চরজব্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল হাসান জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী জানিয়েছেন, পাওনা টাকা আদায়ের জন্য তাকে তুলে নিয়ে শিকলে বেঁধে আটকে রাখা হয়েছিল। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে; অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন