প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের বিমানবন্দরগুলো ব্যাপক সংস্কারের পর পুনরায় সচল করা হয়েছে। দেশটির এয়ারপোর্টস অ্যান্ড এয়ার নেভিগেশন কোম্পানির প্রধান মুর্তজা দেহকান এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ভয়াবহ হামলায় দেশটির বিমানবন্দরগুলো ব্যাপক সংস্কার প্রচেষ্টার পর পুনরায় সচল করা সম্ভব হয়েছে।
মুর্তজা দেহকান বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চাপিয়ে দেওয়া সাম্প্রতিক আগ্রাসী যুদ্ধের ফলে, দেশটির পরিবহন খাত ব্যাপক ক্ষতির শিকার হয়েছে। এর মধ্যে বিমান চলাচল খাতটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হয়েছে।
তিনি জানান, শত্রুপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে বিমান পরিবহন অবকাঠামোকে লক্ষ্যবস্তু করেছিল। এর উদ্দেশ্য ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবহন ব্যবস্থাকে ব্যাহত করা, যা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দ্রুত যাতায়াত এবং মানুষ ও পণ্য পরিবহনে সহায়ক। এছাড়াও জনমনে অসন্তোষের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হয়েছে।
দেহকান জানান, বিমানবন্দরগুলোর বিভিন্ন স্থাপনা ও সুযোগ-সুবিধা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে; এর মধ্যে রয়েছে যাত্রী টার্মিনাল, কন্ট্রোল টাওয়ার, রানওয়ে, ট্যাক্সিওয়ে, বিমান পার্কিংয়ের জায়গা এবং জীবন রক্ষায় নিয়োজিত নিরাপত্তা ও অগ্নিনির্বাপণ কেন্দ্র।
তিনি বলেন, এই স্থাপনাগুলো মেরামত ও পুনরায় সচল করার বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছিল। অবকাঠামোর ওপর একাধিকবার হামলা হওয়া সত্ত্বেও কর্মীদের দিন-রাত প্রচেষ্টার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত বিমানবন্দরগুলোর কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা সম্ভব হয়েছে।
এই কর্মকর্তা আরও জানান, প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের বিমান পরিবহন অবকাঠামোর যাবতীয় ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ নথিবদ্ধ করা হচ্ছে। এ বিষয়ে আইনজীবী, সরকারি বিশেষজ্ঞ এবং বিচারিক উপদেষ্টাদের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে আদালতে আইনি মামলাও দায়ের করা হয়েছে।
সূত্র: তাসনিম নিউজ এজেন্সি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন