প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ব্রাজিলের ডানপন্থী নেতা ফ্লাভিও বলসোনারো নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার পর আর্জেন্টিনা হয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় দেশটির শীর্ষ কূটনীতিককে তলব করেছে ব্রাজিল। বৃহস্পতিবার ব্রাজিলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আর্জেন্টিনার চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মারিয়া এমিলিয়া কোর্তেসকে ডেকে পাঠানো হয়।
তবে আর্জেন্টিনার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পাবলো কিরনো এ ধরনের আনুষ্ঠানিক তলবের কথা অস্বীকার করেছেন। বলসোনারোর দেশত্যাগের ঘটনায় ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা এবং আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইয়ের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
অর্থপাচারের অভিযোগে চলমান তদন্তের অংশ হিসেবে বলসোনারোর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনে পরাজয়ের পর মঙ্গলবার রাতে তিনি আর্জেন্টিনায় যান এবং পরে ইকুয়েডর হয়ে বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে পৌঁছান। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ও দুই মেয়ে।
ব্যাংকো মাস্টার কেলেঙ্কারিতে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও রয়েছে বলসোনারোর বিরুদ্ধে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, ব্যাংকটির সাবেক প্রধান ড্যানিয়েল ভোরকারোর কাছ থেকে পাওয়া কয়েক মিলিয়ন ডলারের অর্থ দিয়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট জইর বলসোনারোকে নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণের পরিকল্পনা ছিল। তবে ফ্লাভিও সব অভিযোগ অস্বীকার করে মামলাটিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করেছেন।
লুলা নির্বাচনে ৫১ দশমিক ৮ শতাংশ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন এবং বলসোনারো ৪০ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট মিলেইয়ের সহযোগিতার জন্য বলসোনারো কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্টের এক মুখপাত্র বলসোনারোর দেশত্যাগকে ‘উদ্ধার অভিযান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলসোনারো পরিবারের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন।
লুলা ও মিলেইয়ের মধ্যে ২০২৩ সালে মিলেই ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছে। গত আগস্টে দুই দেশের মধ্যে ধারাবাহিক মতবিরোধের কারণে উভয় দেশই নিজেদের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার করেছিল। বর্তমান ঘটনা সেই কূটনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করতে পারে।
সূত্র: আলজাজিরা
আরএ
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন