প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বর্ষাকালে হঠাৎ বৃষ্টিতে ভিজে যাওয়ার অভিজ্ঞতা অনেকের হয়ে থাকে। কর্মস্থলে যাওয়া-আসা কিংবা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে বাইরে থাকা মানুষেরা যেমন অনিচ্ছাকৃতভাবে বৃষ্টিতে ভিজে পড়েন, তেমনই গ্রামাঞ্চলে কৃষিকাজে নিয়োজিত অনেকেই বৃষ্টি উপেক্ষা করেই কাজ চালিয়ে যান।
আবার অনেক তরুণ-তরুণী শখের বশে বা আনন্দের জন্য ইচ্ছা করে বৃষ্টিতে ভিজে থাকেন। এরপর বেশির ভাগ মানুষ পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করেন, কারণ প্রচলিত বিশ্বাস—এতে নাকি ঠান্ডা লাগার ঝুঁকি কমে। তবে চিকিৎসকদের মতে, এই ধারণার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।
মেডিসিন বিশেষজ্ঞরা বলেন, বৃষ্টিতে ভেজার পর গোসল করার অভ্যাস অবশ্যই ভালো। তবে এর উদ্দেশ্য ঠান্ডা-সর্দি প্রতিরোধ নয়। তিনি জানান, গোসল করলে ঠান্ডা লাগবে না—এমন ধারণা কেবল একটি প্রচলিত ভুল বিশ্বাস।
এদিকে, বর্তমানে শহরের বাতাসে ধুলাবালি, দূষিত কণা, বিভিন্ন রাসায়নিক ও অম্লীয় উপাদান মিশে থাকে। বৃষ্টির ফোঁটা নিচে নামার সময় এসব ক্ষতিকর উপাদান সঙ্গে নিয়ে আসে। ফলে বৃষ্টির পানি দীর্ঘ সময় ত্বকে লেগে থাকলে ত্বকে জ্বালাপোড়া, র্যাশ বা অ্যালার্জির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বৃষ্টিতে ভেজার পর যত দ্রুত সম্ভব পরিষ্কার পানি দিয়ে গোসল করে শরীর পরিষ্কার করে নেওয়া উচিত।
বৃষ্টির পানিতে ভিজলে ঘামাচি কমে যায়—এমন ধারণা সঠিক নয়। বৃষ্টির পানির কোনও বিশেষ গুণের কারণে নয়, বরং শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে সাময়িকভাবে ঘামাচি বা হিট র্যাশের উপসর্গ কমে আসে। একই ফল সাধারণ ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করলেও পাওয়া যায়। অর্থাৎ ঘামাচি কমার সঙ্গে বৃষ্টির পানির সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই; মূল বিষয় হলো শরীরকে ঠান্ডা রাখা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন