প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পূজা মানে আনন্দ এবং অসংখ্য স্মৃতির হাতছানি। দুর্গাপূজা উৎসব আর কিছুদিন পরেই শুরু হতে যাচ্ছে। সেই উৎসবের আগমনী বাতাস হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বইতে শুরু করেছে। শৈশব ও কৈশোরের পূজার স্মৃতি মনে রেখে যৌবনে এসে সবাই আনন্দে মেতে ওঠেন। টালিউডের আলোচিত অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জিও এর ব্যতিক্রম নন।
এই বছরের দুর্গাপূজায় অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জির জন্য একটি বাড়তি উৎসব যোগ হচ্ছে। পূজার সময় মুক্তি পাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘বহুরূপী : দ্য গোল্ডেন ডাকু’। বর্তমানে সিনেমার প্রচার জোরেশোরে চলছে। সপ্তমী পর্যন্ত অভিনেত্রী সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত থাকবেন। এরপর তিনি পরিবারের সঙ্গে পূজার আমেজে মেতে উঠবেন।
অভিনেত্রী হওয়ার আগে কৌশানীর পূজা কেমন ছিল? একটি গণমাধ্যমের সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, 'তখন দড়ির ওপারে থাকতাম। মানে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখতাম। আর পূজার বিশেষ স্মৃতি বললেই, প্রেমের কথা মাথায় আসে। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে যখন পূজার সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হতো, প্রচুর ছেলে এসে ঝাড়ি মারত। সেখানে হঠাৎ করে আমাকে পছন্দ করে নেওয়া, আর সেখান থেকে প্রতিযোগিতায় জেতা।'
কৌশানি আরও বলেন, ‘পূজার সেরা সুন্দরী’ তকমাটা তখন তার কাছে বিশাল ব্যাপার ছিল। তিনি বলেন, পুরস্কার জিতে বাড়িতে ফিরছি—এটাই তো দারুণ ব্যাপার। তার ভাইবোনেরা আবার সেটি সেলিব্রেট করত। গর্ব করে তারা বলত— ‘আমাদের বোন এত সুন্দরী।'
সেই সময় নিশ্চয়ই পূজার প্যান্ডেলে প্রেমটা হতো? এমন প্রশ্নের উত্তরে কৌশানি বলেন, ‘হ্যাঁ নিশ্চয়ই! পূজার কটা দিনের প্রেম, এ বিষয়টি দারুণ মজা লাগত। আবার সেই প্রেম পূজার কটা দিনই টিকে থাকত। এরপর ভেঙে যেত।’
এবারের পূজায় প্রেমিক অভিনেতা বনি সেনগুপ্তের সঙ্গে কেমন পরিকল্পনা রয়েছে? উত্তরে কৌশানি মুখার্জি বলেন, ‘আমার পূজার সব প্ল্যানেই থাকে বনি।' তিনি বলেন, একসঙ্গে ঠাকুর দেখা, একসঙ্গে রোম্যান্স করা, হইহই করে পার্টি করা—সবই বনির সঙ্গে।
অভিনেত্রী বলেন, এই কদিন তার দিনযাপনের সাইকেল পুরো চেঞ্জ হয়ে যায়। দেখা যায়— পূজার কয়েকটা দিন বের হচ্ছেন হয়তো দুপুরে, আর বাড়ি ফিরছেন ভোরে! বাকি সকালটা ঘুমাচ্ছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন