প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিস্তিনের হামাস সদস্যদের জন্য ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত একটি কারাগারে বিশেষ জেলখানার চারপাশে কুমির রাখার উদ্দেশ্যে পরিখা বা খাল খনন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে বুধবার (২২ জুলাই) এই খবর প্রকাশিত হয়েছে।
কারাগারটি অবস্থিত রামাত নেগেভ আঞ্চলিক কাউন্সিলের এক স্থানীয় কর্মকর্তা জানায়, ১৭০ মিটার বিস্তৃত পরিখার খনন কাজ কেতজিওত কারাগারের একটি উইংয়ে করা হচ্ছে, যা বাইরে থেকে ধরা পড়ে না। ইসরায়েলের পরিবেশ সুরক্ষা মন্ত্রী ইদিত সিলমান নীল নদীর কুমিরকে গৃহপালিত বন্যপ্রাণী হিসেবে নতুন শ্রেণীভুক্ত করার পরেই এই উদ্যোগের পথ উন্মুক্ত হয়েছে।
এদিকে, উগ্র ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের দপ্তর জানায় যে, এটি একটি পাইলট প্রকল্প হিসেবে শুরু হয়েছে এবং যারা একে সস্তা স্টান্ট মনে করছিলেন, তাদের ভুল প্রমাণিত করেছে। খাল এবং কুমিরের যত্নের জন্য ২১ মিলিয়ন শেকেল বা প্রায় ৬ দশমিক ৩ মিলিয়ন ডলার বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং কারা কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রকৃতি ও উদ্যান কর্তৃপক্ষ এবং পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের আইনগত উপদেষ্টা এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছেন এবং বিষয়টি নিয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেছেন। কেতজিওত কারাগারটি নেগেভ মরুভূমিতে অবস্থিত ইসরায়েলের সবচেয়ে বড় বন্দিশালা, যেখানে গাজা ও পশ্চিম তীর থেকে আটক ফিলিস্তিনিদের রাখা হয়।
ফিলিস্তিনি কারাবন্দি বিষয়ক সংস্থাগুলোর তথ्यानুযায়ী, ২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরায়েলের কারাগারে ফিলিস্তিনি বন্দির সংখ্যা ৮৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৯ হাজার ৬০০ জনে পৌঁছেছে।
একই সাথে বন্দীদের উপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছেঃ কম্বল ও খাবার না দেওয়া এবং লোহার পাতে ঘুমাতে বাধ্য করা হয় বলেও জানা গেছে।
সূত্র: মিডল ইস্ট মনিটর
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন