প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার বিদ্যমান অর্থবছরের সময়কাল পরিবর্তন করে নতুন সময়কাল নির্ধারণ করেছে। এতদিন বাংলাদেশে অর্থবছরের হিসাব ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত করা হচ্ছিল। তবে নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অর্থবছর ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে গণ্য করে ৯ মাসের অর্থবছর (জুলাই-মার্চ) শেষ করা হবে। এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিল-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু হবে।
সোমবার (১৭ আগস্ট) অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভায় সভাপতিত্ব করেন।
পরে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে অর্থবছর traditionally ১ জুলাই থেকে ৩০ জুন হিসাব করা হয়। এর ফলে জুলাই-আগস্ট মাসে অর্থাৎ বর্ষাকালে অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান থাকে। বর্ষার কারণে একদিকে কাজ দীর্ঘায়িত হয় এবং কাজের গুণগত মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
এছাড়া এটি ব্যাপক জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে। যদি এপ্রিল-মার্চ সময়কে অর্থবছর হিসেবে গ্রহণ করা হয়, তবে বর্ষার আগেই অবকাঠামোগত উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এই কারণে ১ এপ্রিল থেকে ৩১ মার্চ অর্থবছর নির্ধারণ করা যুক্তিযুক্ত।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, লেজিসলেটিভ বিভাগ, অর্থ বিভাগ সহ বিভিন্ন উপযুক্ত অংশীজনের সমন্বয়ে একটি কমিটি পরবর্তী কর্মপন্থা নির্ধারণ করবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সংবিধান এবং জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্ট, ১৮৯৭-এ প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনতে হবে। তাছাড়া অর্থবছর পরিবর্তনের সাথে সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন সিস্টেমে প্রযুক্তিগত পরিবর্তন আনতেও হবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আগামী ২০২৭-২৮ অর্থবছরকে ট্রানজিশনাল অর্থবছর হিসেবে বিবেচনা করে ৯ মাসে অর্থবছর (জুলাই-মার্চ) শেষ করা হবে এবং এরপর ২০২৮-২৯ অর্থবছর থেকে নতুন অর্থবছর (এপ্রিলে-মার্চ) অনুযায়ী সরকারের সব কার্যক্রম শুরু হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন