প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জুনিয়র সেকেন্ডারি (ভোকেশনাল) এবং জুনিয়র দাখিল (ভোকেশনাল) শিক্ষাক্রমের ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি আবেদন শুরু হবে আগামী ১৫ নভেম্বর। আবেদন গ্রহণের সময়সীমা ২২ ডিসেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, সাপ্তাহিক ও সরকারি ছুটির দিনগুলোতে আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না।
রোববার বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড শিক্ষার্থী ভর্তির নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। নির্দেশিকার ভিত্তিতে, লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ২৩ ডিসেম্বর। নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হবে। নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু হবে আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে এবং বই বিতরণও একই দিনে শুরু হবে।
নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, অনুমোদিত বিদ্যালয় বা মাদ্রাসা থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী, ইবতেদায়ি সমাপনী বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই ক্ষেত্রে ৩১ ডিসেম্বর শিক্ষার্থীর বয়স ১০ থেকে ১৩ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। তবে, দ্বিতীয় শিফট এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা শিথিলযোগ্য।
যদি ষষ্ঠ শ্রেণিতে আসনের তুলনায় আবেদন বেশি হয়, তাহলে শিক্ষার্থীদের নির্বাচন লটারির মাধ্যমে করা হবে। অন্যদিকে, সাধারণ এবং মাদ্রাসা শিক্ষাধারার ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা শূন্য আসন সাপেক্ষে যথাক্রমে সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। এসব শ্রেণিতে শূন্য আসনের জন্য আবেদন বেশি হলে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
ভর্তির আবেদন ফরমের মূল্য ১১০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে দরিদ্র, মেধাবী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে আবেদন ফি মওকুফের ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশিকায় বিভিন্ন শ্রেণির জন্য সংরক্ষিত আসনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান ও নাতি-নাতনিদের জন্য ৫ শতাংশ, প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, সহোদর বা যমজ ভাই-বোনের জন্য ৩ শতাংশ এবং ক্যাচমেন্ট এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য ৪০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। এছাড়া, বদলিজনিত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য প্রতি শ্রেণিতে ২ শতাংশ অতিরিক্ত আসন রাখা হয়েছে। সংরক্ষিত আসনে উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তা পূরণ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন