প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রুট ইতিমধ্যে ইংল্যান্ডের টেস্ট ইতিহাসের অন্যতম সেরা ব্যাটার হয়ে উঠেছেন। এখন তার সামনে সম্ভবত শচীন টেন্ডুলকারের ১৫ হাজার ৯২১ টেস্ট রানের রেকর্ড অতিক্রম করার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু অধিনায়কত্বের অতিরিক্ত দায়িত্ব তার এই যাত্রায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে বলেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে।
৩৫ বছরের এই রুট আগে প্রায় পাঁচ বছর ইংল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক ছিলেন। সেই সময় নেতৃত্বের দায়িত্ব এটি তার জন্য মানসিকভাবে ক্লান্তি নিয়ে এসেছিল। এক সময় তিনি অধিনায়কত্বকে নিজের ক্যারিয়ারের জন্য বাধা হিসেবে আপাতভাবে মনে করেছিলেন।
তবে তিনি আবারও দলের প্রয়োজনের জন্য নেতৃত্বের দায়িত্ব গ্রহণে রাজি হয়েছেন। কিন্তু এই মেয়াদ কতদিন স্থায়ী হবে, সেই বিষয়ে অনিশ্চয়তা বিরাজমান। ইংল্যান্ড সম্ভবত ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপের অপেক্ষা করে হ্যারি ব্রুককে ভবিষ্যৎ অধিনায়ক হিসেবে প্রস্তুত করার পরিকল্পনা নিয়েছে, এমন সম্ভাবনাও আলোচনা হচ্ছে।
রুটের জন্য স্বস্তির একটি সুযোগ হতে পারেন নতুন প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং। নিউজিল্যান্ডের সাবেক টেস্ট অধিনায়ক ফ্লেমিং কৌশলগতভাবে দক্ষ এবং খেলোয়াড়দের ওপর চাপ কমিয়ে নিজ দায়িত্বের ওপর চাপ নিতে পরিচিত। মইন আলী উল্লেখ করেছেন যে, ফ্লেমিং খেলোয়াড়দের চাপ নিজের দিকে টেনে নিতে পারেন।
তবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯ আগস্ট হতে যাওয়া তিন ম্যাচের টেস্ট সিরিজে ফ্লেমিং উপস্থিত থাকবেন না। তার অনুপস্থিতিতে অন্তর্বর্তীকালীন কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মার্কাস ট্রেসকোথিক। এর ফলে শুরুতেই রুটকে অতিরিক্ত দায়িত্ব নিতে হতে পারে।
এছাড়া ইংল্যান্ডের বোলিং আক্রমণের পুনর্গঠন প্রক্রিয়াও চলছে। স্টুয়ার্ট ব্রড, বেন স্টোকস এবং জেমস অ্যান্ডারসনের মতো অভিজ্ঞরা অবসর নেয়ার পর দলের বোলিং বিভাগ অভিজ্ঞতা হারিয়েছে। এর ফলে নতুন করে একটি দল তৈরি করার সময় রুটকে অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে হচ্ছে।
রুটের রানের বিষয়ে কখনই বড় প্রশ্ন ওঠেনি। বরং নেতৃত্বের অতিরিক্ত চাপ তার ব্যাটিংকে কতটা প্রভাবিত করে, সেটি সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চাপমুক্ত থাকলে রুট আরও কিছু বছর শীর্ষ পর্যায়ে ব্যাটিং করতে পারবেন, এই বিশ্বাসও মার্টিন প্রকাশ করেছেন।
ইংল্যান্ড আবারও রুটকে অধিনায়কত্বে ফিরিয়ে এনে একটি ঝুঁকি নিয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত কতটা সফল হবে, সেটি সময়ই বলবে। তবে ইংল্যান্ডের সবচেয়ে মূল্যবান ব্যাটারের ব্যাটিং যেন নেতৃত্বের চাপের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, তা এখন তাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন