প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার মঞ্চে আলো ঝলমলে র্যাম্প, ফটো শুট এবং মুকুটের লড়াইয়ের পর উমাঙ্গা কুমাওয়াত আবারও তাঁর পরিচিত জীবনে ফিরে এসেছেন। মডেলিংয়ের মঞ্চ থেকে সরাসরি বেঙ্গালুরুর গুগল অফিসে ফিরে তিনি ল্যাপটপ খুলে কাজে বসেছেন।
হিন্দুস্তান টাইমসের একটি প্রতিবেদন এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
মধ্যপ্রদেশের প্রতিনিধিত্ব করে ‘মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়া-২০২৬’-এর সেরা ২০-তে স্থান অর্জন করেছিলেন উমাঙ্গা। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার কিছু সপ্তাহ পর ১৪ সেপ্টেম্বর ইনস্টাগ্রামে তিনি নিজের কর্মদিবসের একটি ভিডিও শেয়ার করেন।
ভিডিওতে দেখা যায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে পোশাক বেছে নিয়ে ল্যাপটপ, ব্যাকপ্যাক এবং ইয়ারবাড নিয়ে গুগলের বেঙ্গালুরু ক্যাম্পাসের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে আসছেন তিনি।
অফিসে পৌঁছানোর পর সরাসরি ডেস্কে বসেননি উমাঙ্গা। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি প্রথমে কোম্পানির ওয়েলনেস সুবিধায় চলে যান। সেখানে ট্রেডমিলে হাঁটার পাশাপাশি স্ট্রেচিং এবং লেগ লিফট করতে দেখা যায় তাঁকে।
এরপর পোশাক ঠিক করে কাজে মনোনিবেশ করেন তিনি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শুরু হয় তাঁর নিয়মিত অফিসের কাজ। ল্যাপটপে কাজ করার পাশাপাশি নোটবুক এবং বিভিন্ন নথি নিয়ে ব্যস্ত থাকতে দেখা যায় তাঁকে।
দুপুর ২টা ১০ মিনিটে আসে লাঞ্চের সময়। গুগলের ক্যান্টিনে খাবারের বিশাল আয়োজনের মধ্যে বিরিয়ানি, ফল এবং ডেজার্ট ছিল। তবে উমাঙ্গা বেছে নেন সবজি দিয়ে তৈরি এক বাটি গরম নুডলস স্যুপ।
বিকেল ৩টার দিকে তিনি আবার ডেস্কে ফিরে কাজে বসেন। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কাজের জায়গা বদলে ক্যাম্পাসের একটি শান্ত লাউঞ্জে চলে যান। বড় কাচের জানালার পাশে বসে সেখান থেকেই ল্যাপটপে কাজ চালিয়ে যান।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে কফি বিরতির সময় আসে। গুগলের চা-কফি কর্নারে একটি ইন্টার্যাকটিভ কিয়স্ক ব্যবহার করে উমাঙ্গা গরম পানীয় গ্রহণ করেন।
এরপর দিনের কাজ শেষ করে লিফটে করে অফিস থেকে বেরিয়ে যান তিনি। মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার মঞ্চের ঝলমলে পরিবেশের সঙ্গে তাঁর এই সাধারণ অফিসজীবনের পার্থক্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নজর কেড়েছে।
সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার মঞ্চে অংশগ্রহণের পাশাপাশি নিজ পেশাগত জীবনও সমানভাবে চালিয়ে যাওয়া যায়, উমাঙ্গার এই ভিডিওতে সেটিই প্রতিফলিত হয়েছে। মুকুটের লড়াই শেষ করে তিনি আবার ফিরে গেছেন নিজের পরিচিত জগতে—একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে গুগলের অফিসে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন